গাজা উপত্যকায় শিশুদের ঘুড়ি ওড়ানো বন্ধ না হলে গুপ্তহত্যা বাড়ানো ও আবাসিক এলাকা খালি করা হবে বলে হুমকি দিয়েছে ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ। যদিও ইসরাইলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, গাজার কাছে উদ্ধার করা চারটি ঘুড়িতে কোনো সন্দেহজনক বস্তু পাওয়া যায়নি এবং এগুলো জনসাধারণের জন্য কোনো ঝুঁকিও তৈরি করেনি।
গাজার বাস্তুচ্যুত শিবিরগুলোতে শিশুরা বিনোদনের জন্য নিয়মিত ঘুড়ি ওড়ায়। সুতা ছিঁড়ে গেলে বাতাসে ভেসে ঘুড়ি সীমান্তের ওপারে ইসরাইলি এলাকায় পৌঁছাতে পারে।
ঘুড়ি, বেলুন বা ড্রোন উৎক্ষেপণ অব্যাহত থাকলে হত্যাকাণ্ড বাড়ানো এবং সংশ্লিষ্ট আবাসিক এলাকার বাসিন্দাদের সরিয়ে দেওয়া হবে বলে হুমকি দেন ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরাইল কাৎজ। রোববার কাৎজ বলেন, বিস্ফোরক থাকুক বা না থাকুক, ‘ঘুড়ি ড্রোনের মতোই’।
হামাসের মুখপাত্র হাজেম কাসেম বলেন, শিশুদের খেলনাকে আগ্রাসন চালানোর অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করছে ইসরাইল।
ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজায় ইসরাইলি হামলায় ৭৩ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত এবং এক লাখ ৭৪ হাজারের বেশি আহত হয়েছেন; ধ্বংস হয়েছে উপত্যকার প্রায় ৯০ শতাংশ বেসামরিক অবকাঠামো।
সূত্র: আনাদোলু