অভিষেকটা নিশ্চয়ই ভুলে যেতে চাইবেন তাওহিদ হৃদয়। জিম্বাবুয়ে সফরে ম্যাচটা হেরেছিল বাংলাদেশ, নিজেও ভালো করতে পারেননি। তবে এরপর নিজে সাদা পোশাকে অবিস্মরণীয় কীর্তি গড়েছেন জিম্বাবুয়ের পড়শি দক্ষিণ আফ্রিকায়। সে সূত্রে আবারও দলে ডাক পাওয়া। সেই তাওহিদ হৃদয় এবার সেঞ্চুরির দেখা পেয়ে গেলেন। উইন্ডিজের বিপক্ষে দল যখন ধুঁকছে, তখন নিঃসঙ্গ শেরপা হয়ে লড়লেন একাই।
সিলেটের উইকেটটা কঠিন হয়নি এখনও, তবে পরিস্থিতিটা এরপরও কঠিন হয়ে পড়েছে সঙ্গীদের আসা যাওয়ার মিছিলে। একের পর এক ব্যাটার আসছেন, আর যাচ্ছেন। দিনের শুরু হয় মুশফিকুর রহিমের উইকেট দিয়ে, এরপর লিটন দাসও মুশফিকের মতোই ক্যাচিং প্র্যাকটিস করিয়ে ফেরেন সাজঘরে।
১৩৮ রানে চলে গিয়েছিল ৫ উইকেট। মেহেদী হাসান মিরাজের এমন পরিস্থিতিতে অনেক ভালো ইনিংস আছে, তবে আজ তার পুনরাবৃত্তি ঘটল না, তিনি রস্টন চেসের শিকার হয়ে ফিরলেন ১৬ রান করে। হাসান মাহমুদও ফিরলেন শিগগিরই।
ওপাশে যখন এভাবে একের পর এক আসা যাওয়া চলছে সঙ্গীদের, এপাশে তাওহিদ ছিলেন বেশ সাবলীল। সেশনের শেষ দিকে বেশ দায়িত্বশীলতার পরিচয়ও দিয়েছেন। সঙ্গী তাইজুল বহুবার সিঙ্গেলের জন্য ডাকলেও স্ট্রাইক ধরে রেখেছেন, স্বীকৃত ব্যাটার হিসেবে যা করা প্রয়োজন, করেছেন সেটাই। এপাশে সহজে রান আসছিল। সে সুযোগগুলো লুফে নিয়ে চলে গেছেন তিন অঙ্কের ম্যাজিক ফিগারে। সেঞ্চুরি!