শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:২৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
যাত্রাবাড়ী থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত এক্সপ্রেসওয়ের পরিকল্পনা সরকারের: অর্থমন্ত্রী অপশক্তির বিরুদ্ধে সনাতনীরা সরকারের পাশে থাকবে, আইনমন্ত্রীর আশা ধর্মের ভিত্তিতে বৈষম্য করা যাবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সবজিতে স্বস্তি মিললেও চিনি-ডিম-আটা-মুরগিতে নাভিশ্বাস চলতি মাসেই শুরু হচ্ছে হামের বিশেষ টিকা ক্যাম্পেইন পিঠ চুলকিয়েই চীনা যুবকের মাসিক আয় ১৮ লাখ টাকা হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের জন্মাষ্টমী উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতির শুভেচ্ছা বাণী নেপাল-তিব্বতে মৃত বেড়ে ১২৮৭, নিখোঁজ ৫০৮৩ বগুড়ায় প্রতিমন্ত্রীর গাড়ির ধাক্কায় আহত নারীর মৃত্যু ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে কাভার্ডভ্যান, লরি ও বাসের ত্রিমুখী সংঘর্ষে নিহত ৩

একদিকে করোনা, অন্যদিকে পঙ্গপালের হানা

লাইটনিউজ রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২০

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ; একদিকে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের কারণে ঘর থেকে বের হওয়া বন্ধ, তার ওপর কোটি কোটি পঙ্গপালের হানায় শেষ মাঠের ফসল। ফলে মারাত্মক খাদ্য সংকটে পড়েছে ইথিওপিয়া। জাতিসংঘ বলছে, পূর্ব আফ্রিকার দেশটিতে ইতোমধ্যেই দুই লাখ হেক্টর জমির ফসল উজাড় করে ফেলেছে পঙ্গপালের ঝাঁক, সেখানে এখনই অন্তত ১০ লাখ মানুষের জন্য জরুরি খাদ্য সহায়তা প্রয়োজন।

জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) সোমবার ইথিওপিয়ান সরকারের সঙ্গে এক যৌথ বিবৃতিতে জানিয়েছে, আগামী কয়েকদিনে পূর্ব আফ্রিকায় পঙ্গপাল পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে। শত শত কোটি পঙ্গপাল চষে বেড়াচ্ছে এ অঞ্চলে। এদের কিছু কিছু ঝাঁকের আকার রীতিমতো রাশিয়ার রাজধানী মস্কোর চেয়েও বড়।

পঙ্গপালেরা ইতোমধ্যেই ইথিওপিয়া, সোমালিয়া, কেনিয়া, জিবৌতি, ইরিত্রিয়া, তানজানিয়া, সুদান, দক্ষিণ সুদান ও উগান্ডায় তাণ্ডব চালিয়েছে। গত এক দশকের মধ্যে সবচেয়ে বর্ষণমুখর বর্ষাকালে এ অঞ্চলে হঠাৎই পঙ্গপালের বংশবৃদ্ধি কয়েকগুণ বেড়ে গেছে।

এফএও জানিয়েছে, পঙ্গপালের হানায় ইথিওপিয়ায় বিস্তীর্ণ অঞ্চলের গম-ভূট্টার মতো শস্যের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। কমে গেছে গো-চারণ ভূমিও। দেশটিতে খাদ্য সহায়তা আবশ্যক হয়ে পড়া ১০ লাখ মানুষের ৭৫ শতাংশই সোমালি ও ওরোমিয়া অঞ্চলে বসবাস করেন।

জাতিসংঘের সহযোগী সংস্থাটির তথ্যমতে, ইথিওপিয়ায় ইতোমধ্যেই ৮৫ লাখ লাখ মানুষ তীব্র খাদ্য সংকটে ভুগছে। এছাড়া কেনিয়া, সোমালিয়া, দক্ষিণ সুদান, উগান্ডা ও তানজানিয়ার অন্তত দুই কোটি মানুষ পঙ্গপালের কারণে খাদ্য সংকটে পড়েছেন। তাদের জরুরি ভিত্তিতে মানবিক সহায়তা প্রয়োজন।

ইথিওপিয়ায় নিযুক্ত এফএও’র প্রতিনিধি ফাতুমা সেইড বলেন, দেশটির কৃষক ও পশুপালকদের জরুরি ভিত্তিতে কৃষি এবং আর্থিক সহায়তা দরকার। তবে সেটি অত্যন্ত কঠিন করে তুলেছে করোনাভাইরাস মহামারি।

আফ্রিকার দ্বিতীয় ঘনবসতিপূর্ণ দেশ ইথিওপিয়ায় অন্তত ১১ কোটি মানুষের বসবাস। সরকারি হিসাবে, ইতোমধ্যেই সেখানে ৭৪ জনের শরীরে নভেল করোনাভাইরাস ধরা পড়েছে। তবে এ অঞ্চলের অন্য দেশগুলোর মতোই পরীক্ষাস্বল্পতা ও ভঙ্গুর স্বাস্থ্য ব্যবস্থার কারণে সেখানে দ্রুতই ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

সূত্র: আল জাজিরা

আরো সংবাদ

© All rights reserved © 2020 Lightnewsbd

Developer Design Host BD