নতুন বছরের জানুয়ারি মাসের প্রথম ১৪ দিনে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন ১৭০ কোটি ৩০ লাখ বা ১ দশমিক ৭০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এই হিসাবে প্রতিদিন গড়ে দেশে এসেছে প্রায় ১২ কোটি
বিস্তারিত
চলতি মাসের ২৯ দিনে দেশে ৩ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি রেমিট্যান্স এসেছে। অন্যদিকে ব্যাংক থেকে ডলার কেনায় বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার মোট রিজার্ভ ৩৩ বিলিয়ন ডলার বা ৩ হাজার ৩০০ কোটি
উচ্চ সুদে বিনিয়োগে অনাগ্রহী উদ্যোক্তারা। ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরাও পুঁজিবাজারে লোকসানের ভয়ে বিনিয়োগ করছেন না। উল্টো মূল্যস্ফীতি ঠেকাতে আমানতে উচ্চসুদ দিচ্ছে ব্যাংকগুলো। সব মিলিয়ে মানুষ বিনিয়োগ না করে নগদ টাকা হাতে ধরে
দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩২ দশমিক ৪৮ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। তবে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) নির্ধারিত বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে হিসাব করলে তা দাঁড়ায় ২৭ দশমিক ৮২ বিলিয়ন ডলার। বুধবার (১৭
চলতি ডিসেম্বর মাসে প্রবাসী আয় (রেমিট্যান্স) উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ছে। এর ফলে ব্যাংকগুলোতে ডলারের উদ্বৃত্ত সৃষ্টি হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে, বৈদেশিক মুদ্রার যোগান ও চাহিদার ভারসাম্য ঠিক রাখতে এবং মুদ্রাবাজারে স্থিতিশীলতা