আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ২৪ ডিসেম্বর আমাদের জাতীয় সম্মেলন। সারা দেশ থেকে আমাদের নেতাকর্মীরা আসবে, আমরা সংঘাত চাই না। সে কারণে আপনাদের
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, পুলিশের ওপর যখন হামলা হয়, পুলিশ যখন মার খেয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে, তখন কোথায় যায় মানবাধিকার। কিসের মানবাধিকার? যুক্তরাষ্ট্রকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন,
বিএনপির সাত সংসদ সদস্য পদত্যাগের বিষয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, আপনাদের সাতজন গেলে জাতীয় সংসদ অচল হয়ে পড়বে এটা ভাবার কোনো কারণ নেই। এই ভুলের জন্য বিএনপিকে
বিএনপির সমাবেশের আগে রাজধানীর বিভিন্ন রাজপথ এবং অলিগলি নিজেদের দখলে রেখেছেন আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা। শুক্রবার সকাল থেকে দলবেঁধে বিভিন্ন মোড়ে অবস্থান নেয় ক্ষমতাসীনরা। বুধ ও বৃহস্পতিবারের মতো
দেশের উদ্ভূত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে কূটনীতিকদের তৎপরতার বিষয়ে আওয়ামী সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, কারও হস্তক্ষেপ শেখ হাসিনা শুনবেন না, তিনি আল্লাহ ছাড়া কাউকে ভয় করেন না। শুক্রবার আওয়ামী লীগ সভাপতির
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন,যেকোনো ধরনের সন্ত্রাসী কার্যকলাপের বিরুদ্ধে মাঠে থাকবে আওয়ামী লীগ। আক্রমণ করবো না, তবে আক্রমণ হলে সমুচিত জবাব দেওয়া হবে।
সমাবেশের নামে বিএনপি-জামাত যাতে কোন ধরনের নৈরাজ্য সৃষ্টি করতে না পারে- সে জন্য আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সব জায়গায় সতর্ক পাহারায় থাকার নির্দেশ দিয়েছেন দলের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও
সোমবার দুপুরে নোয়াখালী শহীদ ভুলু স্টেডিয়ামে জেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। নোয়াখালী শহীদ ভুলু স্টেডিয়ামে জেলা আওয়ামী লীগের
কমিটি ঘোষণার দাবিতে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়কে অবরুদ্ধ করে রেখেছেন ঢাকা কলেজ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। রোববার (৪ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ১০টায় নিউমার্কেট এলাকায় জয়ের গাড়ি আটকে
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘আক্রমণ হলে পাল্টা আক্রমণ হবে কী না তা সময়ই বলে দেবে। বিএনপির নেতাকর্মীরা রাস্তায় কয়দিন থাকবে তা আমরা