ব্রিটেন, ফ্রান্স, জার্মানির পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের পাশাপাশি ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ কূটনীতিকরা শুক্রবার (২০ জুন) জেনেভায় পারমাণবিক ইস্যু নিয়ে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনায় বসতে যাচ্ছেন। খবর এএফপির। ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় ইসরায়েলের ক্রমাগত হামলা
ইরানের বিরুদ্ধে হামলার পরিকল্পনা নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘গোপন সম্মতি’ রয়েছে বলে ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হলেও তা পুরোপুরি অস্বীকার করেছেন তিনি। খবর আল-জাজিরার। নিজের সামাজিক
ইসরায়েলে আবারও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। এ হামলার ফলে জনগণকে সরে যাওয়ার অনুরোধ করেছে ইসরায়েল। বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো
ইসরায়েলের যুদ্ধনীতির অন্যতম লক্ষ্য এখন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে ‘খতম’ করা। বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলের বিরসেভা শহরের ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় সরোকা হাসপাতাল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার প্রতিক্রিয়ায় এই কথা
চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এক টেলিফোনালাপে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে জানিয়েছেন, ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যকার চলমান যুদ্ধ বন্ধ করাই এখন সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। চীনের প্রেসিডেন্ট বলেন, যুদ্ধবিরতি ও সংঘাত বন্ধ করাই
ইরানের ভয়াবহ হামলায় ইসরায়েলে আহত বেড়ে ১৩৭ জনে দাঁড়িয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) সকালে চালানো এই হামলায় ইসরায়েলের অন্তত চারটি জায়গায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে সেন্ট্রাল ইসরায়েলে তিনটি জায়গা,
ইরানের সম্ভাব্য হামলার শঙ্কায় মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি ঘাঁটি থেকে কিছু বিমান ও যুদ্ধজাহাজ সরিয়ে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বুধবার (১৮ জুন) দুই মার্কিন কর্মকর্তা রয়টার্সকে এ তথ্য জানিয়েছেন। এই পদক্ষেপ এমন এক সময়ে
ইরানের সর্বশেষ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় কার্যত কাঁপছে গোটা ইসরায়েল। দেশটির রাজনৈতিক বিশ্লেষক ওরি গোল্ডবার্গের ভাষায়, এই হামলা হয়েছে “ইসরায়েলের হৃদয়ে।” তিনি মনে করেন, ইসরায়েল কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসছিল বলে যে ধারণা ছিল,
ইসরায়েলে ফের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। ইসরায়েলের জরুরি সেবা সংস্থা ম্যাগেন ডেভিড অ্যাডম (এমডিএ) জানিয়েছে, ইরানের সর্বশেষ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় কমপক্ষে ৪৭ জন আহত হয়েছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, দৌড়ে আশ্রয় নিতে যাওয়ার
ইসরায়েল এবং ইরানের মধ্যে সংঘাতের কারণে এরই মধ্যে তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী। দুদেশের মধ্যে যদি এই সংঘাত আরও দীর্ঘ সময় ধরে চলে তবে তা বিশ্বে অর্থনৈতিক বিপর্যয় ডেকে আনবে। চলমান উত্তেজনার