বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ১২:২৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতার ১৪ দফা প্রকাশ, কে কী সুবিধা পেল ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র রাখার পক্ষে ট্রাম্প ‘ইরানের অর্থ ফেরত দিতে হবে, না হলে ডলারে কেউ বিনিয়োগ করবে না’ নেতানিয়াহু সবাইকে বোমা মেরে উড়িয়ে দিতে চান: ট্রাম্প ইসলামাবাদ এমওইউ স্বাক্ষর করলেন ট্রাম্প-পেজেশকিয়ান জর্ডানে প্রবাসীদের জন্য সাধারণ ক্ষমা, জরিমানা ছাড়া দেশে ফেরার সুযোগ ঢাকার সঙ্গে রেলপথে যুক্ত হচ্ছে মানিকগঞ্জ প্রবাসীদের পাসপোর্ট ফি কমানোর কথা ভাবছে সরকার ভারত-মিয়ানমার সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেবে বাংলাদেশ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যুদ্ধোত্তর ইরানে শাসনব্যবস্থা হবে আরও নারী ও পরিবার বান্ধব

একটা গোলাপেও তো মানুষ রাজি হয়ে যায়

লাইটনিউজ রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

আমার দাদুর বাড়ি নেপালে। তবে জন্মসূত্রে আমি বাংলাদেশি। দিনাজপুরে আমাদের বাড়ি। আর দশটা মানুষের মতো এ দেশের আলো-বাতাসে বেড়ে উঠেছি আমি।

এখানে আলাদা করে দেখার তো কিছু নেই। তা ছাড়া নাটকটা দেখলে বুঝবেন, রাঙামাটির স্থানীয়রাও অভিনয় করেছেন

‘লস্ট ইন ট্রান্সলেশন’ দেখে পাহাড়ি নৃগোষ্ঠীর অনেকে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছেন ফেসবুকে। চোখে পড়েছে নিশ্চয়ই?

হ্যাঁ, দেখেছি। তবে তাঁরা এমন কেন করছেন বুঝতে পারছি না।

গল্পে দেখানো হয়েছে, এক শহুরে বাঙালি তরুণ রাঙামাটি বেড়াতে যায়। সেখানে এক পাহাড়ি মেয়ের সঙ্গে তার দেখা হয়। ছেলেটা মেয়েটাকে ভালোবেসে ফেলে। মেয়েটি রাজি হয় না।

একটা সময় কোমল পানীয় খেতে খেতে ছেলেটিকে হ্যাঁ বলে দেয় মেয়েটি। এখন পাহাড়ি মানুষরা মনে করছেন, তাঁদের মেয়েরা কি এত সস্তা! একটা পানীয়তেই পটে যায়? আসলে তো তা নয়। ভালোবাসা তো ভালোবাসাই। একটা গোলাপ ফুলেও তো মানুষ বিয়ে করতে রাজি হয়ে যায়। তা ছাড়া এটা স্রেফ গল্প।

সিরিয়াস হওয়ার তো কিছু নেই। শুনলাম তাঁরা নাকি আমার ছবি ফেসবুকে আপলোড করে ক্রস চিহ্ন দিচ্ছে। এটা কি বাড়াবাড়ি নয়!

যখন পাণ্ডুলিপি হাতে পেয়েছিলেন তখন কি বুঝতে পেরেছিলেন এমন বিতর্ক তৈরি হবে?

সত্যি বলতে আমি শুধু গল্পের একটা ধারণা পেয়েছিলাম। পুরো স্ক্রিপ্ট অন দ্য স্পট পেয়েছিলাম। আর বিতর্ক হওয়ার কারণ কিন্তু আসলেই বুঝতে পারছি না। আমার দাদুর বাড়ি নেপাল। তবে জন্মসূত্রে আমি বাংলাদেশি। দিনাজপুরে আমাদের বাড়ি। আর দশটা মানুষের মতো এ দেশের আলো-বাতাসে বেড়ে উঠেছি। এখানে আলাদা করে দেখার তো কিছু নেই। নাটকটা দেখলে বুঝবেন, রাঙামাটির স্থানীয়রাও অভিনয় করেছেন। এমনকি আমি যে সংলাপগুলো বলেছি সেগুলো তাঁদের কাছ থেকেই শিখেছি।

এই নাটকে যুক্ত হয়েছিলেন কিভাবে?

ইমরাউল রাফাত ভাই আমার মতো একটা খুঁজছিলেন, পাচ্ছিলেন না। নির্মাতা হাসিব হোসেন রাখী আমার বন্ধু। সে রাফাত ভাইয়েরও ঘনিষ্ঠ। রাখী আমার নাম প্রস্তাব করে। রাফাত ভাই বলার পর রাজি হয়ে যাই।

অভিনয়ে এলেন কিভাবে?

ছোটবেলা থেকে থিয়েটার করতাম। দিনাজপুরের শেতাবগঞ্জ এলাকায় সোনালী নাট্যগোষ্ঠীর অনেক নাটকে অভিনয় করেছি। তবে টিভি নাটকে প্রথম অভিনয় করি মঞ্জুরুল হকের ‌‘ভাঙা আয়নার মুখ’-এ। এরপর দীপংকর দীপন দাদার ‌‘হতে পারত একটা প্রজাপতির গল্প’ করেছি। ‘লস্ট ইন ট্রান্সলেশন’ আমার তৃতীয় নাটক। এখন থেকে নিয়মিত আমাকে অভিনয়ে পাবেন।

ঈদের নাটক করছেন?

এখনো চূড়ান্ত হয়নি। বেশ কয়েকটি নাটকের প্রস্তাব আছে। সেখান থেকে বেছে হয়তো দুই-তিনটা করব।

আপনি তো কনটেন্ট ক্রিয়েটরও…

হ্যাঁ। আমার একটা ফেসবুক পেজ আছে। ইউটিউব চ্যানেলেও নিয়মিত কনটেন্ট দিই। ‘ভূতের গল্প’ নামে নিয়মিত ভিডিও বানাই। দর্শক সেটা দারুণ পছন্দ করছেন। এর বাইরে লাইফস্টাইল, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিসহ নানা শিক্ষামূলক ভিডিও বানাই।

গায়িকা পিংকি ছেত্রী আপনার বোন। আপনিও গান করেন?

ছোটবেলায় আমাদের দুই বোনের জন্য গানের শিক্ষক রেখেছিলেন বাবা। রেওয়াজ করতে গেলে গলায় টান পড়ত আমার। বাবা বললেন, তোমার গান শেখার দরকার নেই। পরে আমি নাচ শিখেছি, অভিনয়ও শিখেছি।

আগামীতে নিজেকে কোথায় দেখতে চান?

অবশ্যই একটা স্বপ্ন আছে। আগে থেকে সেটা বলতে চাই না। শুধু এটুকু বলি, আমাকে সবাই চিনুক, জানুক। তাদের ভালোবাসায় যেন থাকি, ব্যস! এটুকুই।

আরো সংবাদ

© All rights reserved © 2020 Lightnewsbd

Developer Design Host BD