বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৫৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ভারতের জেন-জি আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে অনুপ্রাণিত: নেহা বোরা ‘অপারেশন ক্লিন হার্ট’ করা হবে কিনা, যা জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গ্রিনল্যান্ডে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের ঘোষণা দিলেন ট্রাম্প বাড়ি থেকে মোবাইল-স্বর্ণালংকার নিয়ে নিখোঁজ কুমিল্লার ৪ স্কুলছাত্রী উদ্ধার এবার ব্রাহ্মণবাড়িয়া-কুমিল্লা-ফেনীসহ যেসব জায়গা থেকে ওঠা যাবে কক্সবাজারগামী ট্রেনে পর্যটনমন্ত্রীর সঙ্গে ইতালির রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ রিয়াদে ফের হুতির ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের চতুর্থ অধিবেশন ডেকেছেন রাষ্ট্রপতি ধর্মঘট করে এলপিজি সরবরাহ ব্যাহত করা হলে আইনি ব্যবস্থা: মন্ত্রী বেকারত্বের ঝুঁকিতে বিশ্বের ৮০ কোটি তরুণ: ইউএনডিপি

কচুরিপানায় কৃষকের কান্না

লাইটনিউজ রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২০

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলের হাইল হাওরের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত গোপলা নদীর পাড়ের বাঁধ ভেঙে যাওয়ায় গত দুই বছরে কচুরিপানায় ঢেকে গেছে ফসলের জমি।

ফলে উপজেলার মীর্জাপুর ইউনিয়নের যতরপুর ও শহশ্রী এলাকায় শতাধিক কৃষক বোরো ধান চাষ করতে পারছেন না।

চলতি বছরেও প্রচুর পরিমাণ কচুরিপানা প্রবেশ করায় বোরো ধান চাষ নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন তারা।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মুহিত পাল জানান, গত দুই বছর ধরে এখানে উপার্জনের একমাত্র উপায় বোরো ধান চাষ না করার কারণে গ্রামের কৃষকরা অনেকেই ধার দেনা করে দিন যাপন করছেন।

তিনি জানান, গোপলার দুই পাড়ে প্রায় ৮০০ বিঘা জমিতে জমে থাকা কচুরিপানা অপসারণ কৃষকদের একার পক্ষে সম্ভব না, সরকারের সহায়তা অত্যন্ত জরুরী। একই সাথে স্থায়ী সমাধানের জন্য আগামী শুষ্ক মৌসুমে গোপলা পাড়ের ভেঙে যাওয়া বাঁধ মেরামতও অতি জরুরী।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, হাইল হাওরের যতরপুর গ্রাম সংলগ্ন এলাকায় প্রায় ৮ শ বিঘা জমিতে জমে আছে কচুরিপানা। এই জমি থেকে এখন পানি নামছে। কচুরিপানাগুলো প্রায় দুই তিন বছর ধরে জমে থাকার কারণে এই জায়গাটি কৃষি কাজের অনুপযুক্ত হয়ে পড়েছে।

এই গ্রামের কৃষক মাসুদ মিয়া জানান, তাদের গ্রামের ৯৫ ভাগ লোকই কৃষিজীবী। এর মধ্যে অনেকেই বর্গাচাষি। কচুরিপানার কারণে বিগত দুই বছর ধরে এখানে পতিত পড়ে আছে প্রায় ৪শ বিঘা জমি।

একই গ্রামের কৃষক আকবর আলী জানান, এখনই কচুরিপানাগুলোকে সরিয়ে না দিলে এবছরও ওই জমি পতিত থাকবে।

এ বিষয়ে শ্রীমঙ্গল উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নিলুফার ইয়াসমিন জানান, তিনি জায়গাটি পরিদর্শন করে এসেছেন। যতরপুর গ্রামে প্রায় তিন হাজার লোকের বাস। যাদের একমাত্র জীবিকা নির্বাহের পথ বোরো ধানের আবাদ। যে পরিমাণ কচুরিপানা জমা হয়েছে তা কৃষকরা সরাতে পারছে না। তাদের পক্ষে এটা সম্ভবও নয়। বিষয়টি তিনি উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানাবেন বলে জানিয়েছেন।

পানি উন্নয়ন বোর্ড মৌলভীবাজারের নির্বাহী প্রকৌশলী রণেন্দ্র শংকর চক্রবর্তী জানান, গোপলা নদী খনন প্রকল্প হাতে নিতে পারলে একই সাথে খনন এবং বাঁধ মেরামত দুটোই হবে। এ ক্ষেত্রে এলাকা থেকে বাঁধ মেরামত এবং নদী খননের প্রয়োজনীয়তা জানিয়ে আবেদন করতে হবে।

লাইটনিউজ

আরো সংবাদ

© All rights reserved © 2020 Lightnewsbd

Developer Design Host BD