বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৫৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ভারতের জেন-জি আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে অনুপ্রাণিত: নেহা বোরা ‘অপারেশন ক্লিন হার্ট’ করা হবে কিনা, যা জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গ্রিনল্যান্ডে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের ঘোষণা দিলেন ট্রাম্প বাড়ি থেকে মোবাইল-স্বর্ণালংকার নিয়ে নিখোঁজ কুমিল্লার ৪ স্কুলছাত্রী উদ্ধার এবার ব্রাহ্মণবাড়িয়া-কুমিল্লা-ফেনীসহ যেসব জায়গা থেকে ওঠা যাবে কক্সবাজারগামী ট্রেনে পর্যটনমন্ত্রীর সঙ্গে ইতালির রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ রিয়াদে ফের হুতির ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের চতুর্থ অধিবেশন ডেকেছেন রাষ্ট্রপতি ধর্মঘট করে এলপিজি সরবরাহ ব্যাহত করা হলে আইনি ব্যবস্থা: মন্ত্রী বেকারত্বের ঝুঁকিতে বিশ্বের ৮০ কোটি তরুণ: ইউএনডিপি

কথা শোনে না, এমন ছাত্রলীগ চাই না: কাদের

লাইটনিউজ রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২ ডিসেম্বর, ২০২২

বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির কারণে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ও উত্তর ছাত্রলীগের যৌথ বার্ষিক সম্মেলনে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। আজ শুক্রবার (২ ডিসেম্বর) দুপুরে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বক্তব্যের সময় তার অসন্তুষ্টি ফুটে উঠে।

বক্তব্য দেয়ার সময় ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের স্লোগান বন্ধ ও ব্যানার-প্ল্যাকার্ড নামাতে বলেন ওবায়দুল কাদের। তা সত্ত্বেও মাঠে উপস্থিতরা স্লোগান দিতে থাকে।

এ সময় আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিশৃঙ্খলার ছাত্রলীগ আমরা চাই না। কথা শোনে না, এমন ছাত্রলীগ চাই না। আমরা সুশৃঙ্খল ছাত্রলীগ চাই।

আরো বলেন, আমি স্লোগান বন্ধ এবং প্ল্যাকার্ড নামাতে বলার পরেও যারা স্লোগান দিচ্ছ, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যার নামে স্লোগান দেওয়া হচ্ছে, তাকে নেতা না বানাতে নেত্রীকে বলে দেবো। সে আর নেতা হতে পারবে না।

মঞ্চে ছাত্রলীগ নেতাদের ভিড় দেখেও বিরক্ত হন ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, ‘এত নেতা স্টেজে, কর্মী কোথায়? এ ছাত্রলীগ আর চাই না। শেখ হাসিনার ছাত্রলীগ, বঙ্গবন্ধুর ছাত্রলীগ, এই ছাত্রলীগ না। মুজিব কোট পরলেই মুজিব সৈনিক হওয়া যায় না। মুজিব সৈনিক হতে হলে মুজিবের আদর্শের সৈনিক হতে হবে। শেখ হাসিনার খাঁটি কর্মী হতে হবে। খাঁটি কর্মী বিশৃঙ্খলা করে না। সব নেতা হয়ে গেছে!

এদিকে জুমার নামাজের সময় হয়ে যাওয়ায় বক্তব্য রাখতে পারেননি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক৷ এ কারণে ছাত্রলীগ সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যের উদ্দেশে ক্ষোভ প্রকাশ করেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী।

তিনি বলেন, আজকে নানকের মতো, আপনাদের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা, সাবেক মন্ত্রী, যুবলীগের সাবেক চেয়ারম্যান সময়ের অভাবে বক্তৃতা দিতে পারল না। আপনারা মাইক ধরলে ছাড়েন না। পরে কে বলবে খেয়াল থাকে না। আজকে জুমার দিন খেয়াল থাকে না। এই ছাত্রলীগ আমরা চাই না। সুশৃঙ্খল করুন।

সম্মেলনে আয়োজকদের প্রতি ক্ষুব্ধ হয়ে মঞ্চ ছাড়েন ছাত্রলীগের দায়িত্বপ্রাপ্ত চার নেতা আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক, আব্দুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম ও সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক। এছাড়া বক্তব্য দেয়ার সুযোগ পাননি আমন্ত্রিত অনেক অতিথি। সম্মেলনের প্রধান বক্তা লেখক ভট্টাচার্যও বক্তব্য দিতে পারেননি।

আরো সংবাদ

© All rights reserved © 2020 Lightnewsbd

Developer Design Host BD