কোটা সংস্কারের এক দফা দাবিতে পদযাত্রা নিয়ে রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনের পক্ষে তাঁর সামরিক সচিব মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আদিল চৌধুরীর কাছে স্মারকলিপি দিয়েছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ১২ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল।
রোববার দুপুর ২টা ২৪ মিনিটে ১২ জনের প্রতিনিধি দল বঙ্গভবনে যান। ২০ মিনিট পর তিনটায় তারা ফিরে আসেন।
স্মারকলিপি দেওয়ার পর ফিরে এসে তারা ঘোষণা দেন, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কোটা সংস্কারের দাবিতে সরকারের দৃশ্যমান পদক্ষেপ দেখতে চান তারা। এরমধ্যে সরকারের দায়িত্বশীল পর্যায় থেকে সুস্পষ্ট পদক্ষেপ না এলে তারা কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবেন।
আন্দোলনের সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, রাষ্ট্রপতি মহোদয়ের কাছে আমরা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে জরুরি অধিবেশন আহ্বান করার জন্য সুপারিশ করেছি। আগামী ২৪ ঘণ্টায় দৃশ্যমান পদক্ষেপ দেখতে চাই।
তিনি আরও বলেন, আমাদের দমন করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। তবে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে তা হতে দেইনি। আমাদের নামে শাহবাগ খানায় যে অজ্ঞাত মামলা দেওয়া হয়েছে তা প্রত্যাহারের জন্য আমরা আরও ২৪ ঘণ্টা আল্টিমেটাম দিচ্ছি। তা না হলে আমরা কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবো।
নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, আমাদের বক্তব্য স্পষ্ট, কোটা সংস্কারের দায়িত্ব সরকারের বা নির্বাহী বিভাগের। আমরা চাচ্ছি আইন সভার মাধ্যমে এটি বাস্তবায়ন হোক। আমরা সব দরজায় যাচ্ছি। সরকার প্রথম থেকে বিষয়টি সমাধান করলে আমরা আর রাজপথে থাকতাম না। আগামী ২৪ ঘণ্টা আমরা সরকারের দায়িত্বশীল পর্যায়ের পদক্ষেপ দেখে পরবর্তী কর্মসূচি দেব।
সমন্বয়ক সারজিস আলম বলেন, আমরা আমাদের স্মারকলিপি মহামান্য রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিবের কাছে দিয়েছি। আমাদের স্মারকলিপি তিনি মহামান্য রাষ্ট্রপতির কাছে পৌঁছে দেওয়ার নিশ্চয়তা দিয়েছেন। আমাদের দাবি ছিল, অনগ্রসর গোষ্ঠীর জন্য সর্বোচ্চ পাঁচ শতাংশ কোটা রেখে সংসদে আইন পাশ করার জন্য জরুরি সংসদ অধিবেশন ডাকার কথা বলেছি। আমরা আশা করি, রাষ্ট্রপতি অতি দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।