গাজীপুরে সাংবাদিক তুহিন হত্যায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে অন্যতম আসামি স্বাধীন। ১৫ দিনের মধ্যে এ মামলার চার্জশিট দেয়া হবে।
শনিবার বেলা ১১টানর দিকে গাজীপুরের পোড়াবাড়ী ক্যাম্পে সিপিএসসিতে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান র্যাব-১-এর কোম্পানি কমান্ডার এসপি কে এম এ মামুন খান চিশতী।
মামুন খান চিশতী জানান, আসামি স্বাধীন গাড়ির ড্রাইভার, তিনি ৯ থেকে ১০ বছর যাবৎ এলাকায় বসবাস করছেন। তিনি একটি গ্রপের সঙ্গে বিভিন্ন অপকর্মে যুক্ত আছেন। হানি ট্র্যাপে ফেলে ছিনতাইয়ের ঘটনার ভিডিও ধারণের কারণে তুহিনকে হত্যা করা করা হয়।
তিনি বলেন, চক্রের নারী সদস্য বাদশাহ নামের এক ব্যক্তিকে বিরক্ত করছিলো, তাই বাদশাহ সেই নারীকে আঘাত করে। এ ঘটনার পর চক্রের বাকী সদস্যরা বাদশাহকে ছুড়ি নিয়ে দৌড়াতে থাকে। বিষয়টি দেখে ভিডিও করছিলো তুহিন। চক্রের সদস্যরা ভিডিও করা দেখে ফেলায় তার ওপর হামলা করে।
এদিকে গাজীপুরে সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিন হত্যা মামলায় আরও দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ (জিএমপি)। এ নিয়ে এই মামলায় মোট সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
শুক্রবার রাতে ও শনিবার ভোরে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ।
গ্রেপ্তাররা হলেন- কেটু মিজান ও তার স্ত্রী গোলাপী বেগম, ভবানীপুরের উত্তরা এলাকা থেকে সুমন, হোতাপারা থেকে আলআমিন, ময়মনসিংহের গফরগাঁও থেকে স্বাধীন ও শাহ জালাল এবং মহানগরের চান্না এলাকা থেকে ফয়সাল হাসান।
নিহত আসাদুজ্জামান তুহিন দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ পত্রিকার গাজীপুরের স্টাফ রিপোর্টার ছিলেন। তিনি ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া থানার ভাটিপাড়া গ্রামের হাসান জামালের ছেলে। তুহিন পরিবার নিয়ে চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় বাস করতেন।