বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে আনন্দঘন ও প্রত্যাশিত একটি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।
ভোটের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর মগবাজারে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
এহসানুল জুবায়ের বলেন, জাতি তার সকল সন্তানকে নিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছে। সরকারের পক্ষ থেকে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। জনগণ বাড়িতে গিয়েছেন এবং স্বতঃস্ফূর্তভাবে কেন্দ্রে উপস্থিত হয়েছেন।
তিনি বলেন, এবারের ভোটে ২৯৯ আসনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। একই সঙ্গে গণভোট অনুষ্ঠিত হচ্ছে। নতুন ও ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশের জন্য এবং কল্যাণকর রাষ্ট্রের জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বিজয়ী হওয়া অপরিহার্য বিষয়। আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি জনগণ ‘হ্যাঁ’ ভোটকে বিজয়ী করবেন।
জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি বলেন, গত দেড় যুগের ইতিহাসে বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনা, উৎসবমুখর পরিবেশ ও ব্যাপক মানুষের উপস্থিতিতে ভোটের এই আয়োজন আমরা দেখছি। এটি নতুন প্রজন্মের জন্য নতুন ইতিহাস। তারা ভোট না দেওয়া, জালিয়াতি, বিনা ভোটের সরকার, ‘আমি’ ও ‘ডামি’ নির্বাচন এবং রাতের ভোট দেখেছে। এবারই প্রথম উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট হচ্ছে, জনগণ ভোট দিচ্ছে।
তিনি বলেন, আমরা দেশবাসীকে আহ্বান জানাই- সবাই দ্রুততম সময়ে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করুন। আগামীর বাংলাদেশের জন্য সৎ, দক্ষ ও যোগ্য নেতৃত্ব নির্বাচন করে তারা তাদের দায়িত্ব পালন করবেন।
এহসানুল জুবায়ের বলেন, কিছু কিছু জায়গায় দুঃখজনক ঘটনা ঘটেছে। আমাদের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা, এজেন্টদের ঢুকতে না দেওয়া এবং ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে যেতে বাধা দেওয়া হচ্ছে। প্রশাসন কার্যকর সহযোগিতা করছে না বলেও অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে।
তিনি বলেন, নির্বাচনে ভরাডুবি হবে- এমন হতাশায় একটি দলের কর্মীরা ভোটার ও এজেন্টদের কেন্দ্রে ঢুকতে বাধা দিয়ে দেউলিয়াত্ব প্রকাশ করছে।
জামায়াতের এই নেতা বলেন, নির্বাচন কমিশন ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। জনগণ একটি সুন্দর ও প্রত্যাশিত নির্বাচন দেখতে চায়।
এ সময় জামায়াতের জাতীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য জাহিদুর রহমান, ড. মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার সাইফ উদ্দীন খালেদ, ব্যারিস্টার ফখরুল ইসলামসহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।