শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ০৮:৩৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নতুন প্রজন্মের ওপর নির্ভর করছে আগামীর বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী পুরোদমে ভিসা কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে ঢাকা-দিল্লি হরমুজ প্রণালি নিয়ে বিশেষ বলয়ের ঘোষণা ইরানের বিদেশে নায়িকা মৌসুমীর ‘কন্ট্র্যাক্ট ম্যারেজ’ গণভোটের রায় অস্বীকার করে দেশকে সংকটে ঠেলে দিচ্ছে সরকার: গোলাম পরওয়ার ডিসি সম্মেলনে নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নের তাগিদ থাকবে: মন্ত্রিপরিষদ সচিব যুদ্ধের জন্য ‘পুরোপুরি প্রস্তুত’ ইরান, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলকে কড়া হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের অন্ধকার যুগ যেভাবে বিশ্ব রাজনীতিতে নতুন ধারার জন্ম দিচ্ছে আশা করি এমন কালো দিন আর আসবে না : আসিফ নজরুল যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাব দিতে নতুন ছক কষছে ইরান

দ্রুত দেশে পৌঁছাবে হামসহ ১০ ধরনের টিকা: স্বাস্থ্য সচিব

লাইটনিউজ রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ, ২০২৬

দেশে হামের প্রাদুর্ভাব ও শিশু মৃত্যুর হার নিয়ন্ত্রণে হামসহ ১০ ধরনের টিকার টাকা পরিষোধ করা হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে টিকা পৌঁছাবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব কামরুজ্জামান চৌধুরী।

মঙ্গলাবার (৩১ মার্চ) রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি জানান, হামসহ ১০ ধরনের টিকা সংগ্রহে সরকার এরই মধ্যে ৬০৪ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে এবং এ অর্থ ইউনিসেফকে পরিশোধ করা হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে টিকা দেশে পৌঁছাবে এবং ডোজ হাতে পেলেই সারাদেশে টিকাদান কর্মসূচি শুরু করা হবে।

সচিব বলেন, করোনা মহামারি চলাকালীন টিকাদান কার্যক্রমে কিছুটা স্থবিরতা তৈরি হয়েছিল। সেই ঘাটতি পূরণে এবার বৃহৎ পরিসরে টিকাদান কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। যার মাধ্যমে শিশুদের মধ্যে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করা হবে।

রাজশাহীতে শিশু মৃত্যুর ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে স্বাস্থ্য সচিব বলেন, রাজশাহীতে শিশু মৃত্যুর জন্য আমরা দুঃখ প্রকাশ করছি। আমাদের কিছু সীমাবদ্ধতা ছিল। সেগুলোর ভিত্তিতে আমরা কাজ করছি। হাম নিয়ন্ত্রণের বাহিরে চলে যাওয়ার কথা বলা হচ্ছে এবং পত্রিকায় এসেছে। আমরা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার একটা প্রতিবেদনও পেয়েছি, উনারা বলেছেন যে সবাই কিন্তু হামে মারা যায়নি। অন্য জটিলতা নিয়েও তারা হাসপাতালে এসেছিলেন। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে আমরা এটিকে নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যাপক কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছি।

তিনি বলেন, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রোগীর চাপ আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। ১২০০ শয্যার এই হাসপাতালে বর্তমানে প্রায় ৩ হাজারের বেশি রোগী চিকিৎসাধীন থাকায় সেবাদানে বিঘ্ন ঘটছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় হামে আক্রান্ত নয়, এমন জটিল রোগীদের বিকল্প হাসপাতালে স্থানান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আইসোলেশন ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করা হচ্ছে। অতিরিক্ত শয্যা ও চিকিৎসা সুবিধা বাড়ানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

সচিব জানান, রাজশাহীতে নির্মাণ শেষ হওয়ার পরও পড়ে থাকা ২০০ শয্যার শিশু হাসপাতাল দ্রুত চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এটি চালু হলে চিকিৎসা ব্যবস্থার ওপর চাপ অনেকটাই কমবে। পাশাপশি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীর ঘাটতি পূরণে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ বিভাগগুলোতে জনবল বাড়ানো হবে। সেইসঙ্গে হাসপাতালের সংকট মোকাবিলায় এরই মধ্যে নতুন ভেন্টিলেটর সরবরাহ করা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ নিশ্চিত করার প্রক্রিয়া চলছে।

এসময় স্বাস্থ্যের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, রাজশাহী মেডিকেল কালেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পিকে এম মাসুদ-উল-ইসলাম, রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাযার্চ অধ্যাপক ডা. জাওয়াদুল হক, রাজশাহী মেডিকেল কলেজর অধ্যাপক ড. খন্দকার মো. ফয়সাল আলম, রামেক হাসপাতালের শিশু বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. সাহিদা ইয়াসমিনসহ হাসপাতালের অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারী ও চিকিৎসকরা উপস্থিত ছিলেন।

আরো সংবাদ

© All rights reserved © 2020 Lightnewsbd

Developer Design Host BD