শনিবার, ২৩ মে ২০২৬, ০২:১৩ পূর্বাহ্ন

বগুড়া পুলিশ লাইন্সে এএসআইয়ের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

লাইটনিউজ রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬

বগুড়া পুলিশ লাইন্সে জেলা পুলিশের বেতার শাখার সহকারী উপপরিদর্শকের (এএসআই) ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

শুক্রবার (২২ মে) সকালে পুলিশ লাইন্সের ভেতর থেকে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এর আগে বৃহস্পতিবার রাত দেড়টা থেকে শুক্রবার সকাল আটটার মধ্যে যে কোনো সময়ে গলায় রশি দিয়ে তিনি আত্মহত্যা করেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ।

নিহত আরিফুল ইসলামের (৩৮) নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার পদ্মবিল ঘড়িয়া এলাকার মো. আশরাফের ছেলে। তিনি স্ত্রী রোমা বেগম ও দুই সন্তান রেখে গেছেন। তার বিপি নম্বর ৮৮০৭১২৭৪৮৫।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাতের কোনো এক সময়ে পুলিশ লাইন্সের ভেতরে বেতার শাখায় কর্মরত এএসআই আরিফুল ইসলাম গলায় রশি দিয়ে আত্মহত্যা করেন। শুক্রবার সকালে খবর পেয়ে বগুড়ার পুলিশ সুপার মির্জা সায়েম মাহমুদসহ জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পরে লাশটি উদ্ধার করে নামানো হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বেতার শাখার দোতলার একটি কক্ষে সহকর্মীদের সঙ্গে থাকতেন আরিফুল ইসলাম। ওই কক্ষে বৃহস্পতিবার রাত ১টার দিকেও তাকে দেখা যায়। এরপর শুক্রবার সকালে তাকে কক্ষে না পেয়ে সহকর্মীরা প্রথমে ধারণা করেন তিনি নিচতলায় দায়িত্বে আছেন।

পুলিশ জানায়, পরে সকাল ১০টার পরও তার খোঁজ না মেলায় পাশের একটি ওয়ার্কশপ কক্ষের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ দেখতে পান সহকর্মীরা। সন্দেহ হলে জানালা দিয়ে উঁকি দিলে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় তার মরদেহ দেখতে পান তারা। খবর পেয়ে পুলিশ সুপার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয় এবং মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

পুলিশ সুপার মীর্জা সায়েম মাহমুদ জানান, নিহতের স্ত্রী ও সন্তান গ্রামের বাড়িতে থাকেন। পরিবারের সঙ্গে কথা বলে কোনো পারিবারিক বিরোধের তথ্য পাওয়া যায়নি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ঋণসংক্রান্ত চাপের কারণে তিনি আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন বলেও জানান তিনি।

বগুড়া জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া মুখপাত্র) আতোয়ার রহমান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে এএসআই আরিফুলের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। এটি আত্মহত্যা নাকি এর পেছনে অন্য কোনো কারণ আছে, তা তদন্ত করে দেখছে পুলিশ।

 

আরো সংবাদ

© All rights reserved © 2020 Lightnewsbd

Developer Design Host BD