সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ০৯:০১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বাবরি মসজিদ ভেঙে মোদির গড়া রাম মন্দিরে দুর্নীতির মহা কেলেঙ্কারি ডেঙ্গুতে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী বৈঠকের দিনক্ষণ জানালেন ট্রাম্প সরকার-এনজিও সমন্বয়ে প্রাথমিকে গুণগত পরিবর্তন আনতে চাই গাজায় ৩,৪৬৫ বার যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে ইসরাইল জাপানের বিপক্ষে ব্রাজিলের সম্ভাব্য একাদশ হাম উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১১৪৫ চাকরির জন্য তরুণদের বছরের পর বছর অপেক্ষা করতে হবে না : প্রধানমন্ত্রী ইরান যুদ্ধের কোনো লক্ষ্যই অর্জন করতে পারেননি ট্রাম্প: নিউজার্সির গভর্নর দেশজুড়ে ব্যাপক বজ্রবৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার আভাস, নদীবন্দরেও সতর্কতা

বন্ধ হলো ক্ষতিকর সীসা কারখানা

লাইটনিউজ রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৪ আগস্ট, ২০২২

হবিগঞ্জের বাহুবলে রাবার বাগানে স্থাপিত ব্যাটারি পুড়িয়ে সীসা তৈরির অবৈধ কারখানাটি বন্ধ করেছে প্রশাসন। ভবিষ্যতে এমন কারখানা স্থাপন করলে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও কারখানা সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করা হয়েছে।

রোববার (১৪ আগস্ট) দুপুরে এ কারখানা বন্ধ করে দেওয়ার বিষয়টি  নিশ্চিত করেন বাহুবল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মহুয়া শারমিন ফাতেমা।

কারখানাটির কারণে বাহুবল উপজেলার পরিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছিল। এনিয়ে আদালত থেকে পরিবেশ অধিদপ্তরকে তদন্তের আদেশ দেওয়া হয়। পরে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রুহুল আমীনসহ অন্য কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে সেটি বন্ধের নির্দেশনা দেন।

গত বুধবার (১০ আগস্ট) হবিগঞ্জের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাকির হোসাইন হবিগঞ্জ পরিবেশ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালককে আগামী ১৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যে এ সংক্রান্ত তদন্তের আদেশ দেন।

আদেশে বলা হয়, বাহুবল উপজেলার রূপাইছাড়া রাবার বাগান এলাকায় একটি অবৈধ কারখানায় পরিত্যক্ত ও অকেজো ব্যাটাড়ি পুড়িয়ে এসিড, সীসা ও অন্যান্য উপাদান সংগ্রহ করা হয়। এতে পাহাড়ি ছড়া ও পরিবেশ মারাত্মকভাবে দূষণের শিকার হচ্ছে। পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ ও বিধি ১৯৯৭ মোতাবেক এমন কারখানা স্থাপন ও কর্মকাণ্ডের ক্ষেত্রে আইনটির বিধি অনুসরণ করা বাধ্যতামূলক। কিন্তু ওই প্রতিষ্ঠানটি বিধি অনুসরণ করেনি, যা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এ নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হলেও পরিবেশ অধিদপ্তরে কোনো মামলা দায়ের হয়নি।

এতে আরও বলা হয়, জনস্বার্থে ও পরিবেশ সুরক্ষার উদ্দেশ্যে ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিষয়ে এবং কারখানার মালিক ও পরিচালনাকারীদের বিষয়ে সরেজমিন তদন্ত করে অপরাধ উদ্ঘাটন, আসামিদের চিহ্নিতকরণ এবং উল্লেখিত ধারায় অপরাধ ছাড়াও অন্য কোনো আইনে অপরাধ সংঘটিত হয়েছে কিনা, তা বিস্তারিত তদন্ত করার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।

এজন্য পরিদর্শক পদমর্যাদার নিম্নে নয় এমন কর্মকর্তার মাধ্যমে সরেজমিন তদন্ত করে আগামী ১৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল ও অপরাধ উদ্ঘাটন হলে পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ ও বিধি ১৯৯৭ অনুযায়ী নিয়মিত মামলা করার নির্দেশ দেন আদালত।

এ বিষয়ে হবিগঞ্জ পরিবেশ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মিজানুর রহমান বলেন, আদালতের আদেশের কপি এখনও আমার দপ্তরে আসেনি। তবে বিষয়টি নিয়ে জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভায় গুরুত্বসহকারে আলোচনা হয়েছে।

আরো সংবাদ

© All rights reserved © 2020 Lightnewsbd

Developer Design Host BD