সম্প্রতি রাজধানীর একটি রেস্তোরাঁয় আয়োজন করা হয় বাংলাপেক্স ২০২০ এর পালমারিস (পুরস্কার বিতরণী) সন্ধ্যা। বাংলাদেশ ফিলাটেলিক ফেডারেশনের আয়োজনে গত ১৯ থেকে ৩০ ডিসেম্বর, ২০২০ অনুষ্ঠিত হয় বাংলাদেশের চতুর্থ জাতীয় ডাকটিকেট প্রদর্শনী বাংলাপেক্স ২০২০। বারো দিন ব্যাপি চলা এই প্রতিযোগিতামূলক প্রদর্শনীটি অনুষ্ঠিত হয় ভার্চুয়াল প্লাটফর্মে। পালমারিস সন্ধ্যায় পুরস্কার বিজয়ীদের হাতে পদক এবং সনদপত্র তুলে দেয়া হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক, এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মোঃ ফরিদুল হক খান, এমপি এবং গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ডাক বিভাগের মহাপরিচালক মোঃ সিরাজউদ্দীন। বাংলাদেশ ফিলাটেলিক ফেডারেশনের এবং বাংলাপেক্স ২০২০ অর্গানাইজিং কমিটির সভাপতি ড. কাজী শরিফুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত পালমারিস সন্ধ্যার অনুষ্ঠানমঞ্চে আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলাপেক্স ২০২০ এর চিফ কো-অর্ডিনেটর এ টি এম আনোয়ারুল কাদির। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ফিলাটেলিস্ট এ এইচ এম ফয়জুর রহমান।
অতিথিদের বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ডাকটিকিট সংগ্রহের শখের কথা উঠে আসে। তারা বলেন, ডাকটিকিট একটি দেশের কৃষ্টি, সংস্কৃতি ও রাজনৈতিক ইতিহাসের ধারক ও বাহক। বক্তাগণ এদেশের ফিলাটেলির সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ কামনা করেন। বাংলাপেক্স ২০২০ এ দেশ-বিদেশের মোট ৮১ টি এক্সিবিট প্রতিদ্ব›িদ্বতা করে। এগুলোর গুণমান বিচারের দায়িত্ব পালন করেন দেশ-বিদেশের প্রথিতযশা সাতজন বিশেষজ্ঞের সমন্বয়ে গঠিত একটি জুরি কমিটি। তাদের বিচারে ৬৭ টি এক্সিবিট বিভিন্ন শ্রেণীতে পুরস্কৃত হয়, যার মধ্যে চারটি লার্জ ভার্মেইল, ছয়টি ভার্মেইল, ছয়টি লার্জ সিলভার, দশটি সিলভার, সতেরোটি সিলভার ব্রোঞ্জ এবং ছয়টি ব্রোঞ্জ-মোট ৪৯টি বিজয়ী এক্সিবিট পদক অর্জন করে। আয়োজকবৃন্দ, দেশের বরেণ্য ডাকটিকিট সংগ্রাহক ও তাদের পরিবাারের সদস্যবৃন্দের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানস্থলে আনন্দঘন পরিবেশ সৃষ্টি হয়।
এর পূর্বে গত ১৯ ডিসেম্বর, ২০২০ তারিখে বাংলাপেক্স ২০২০ এর শুভ উদ্বোধন করেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী মোস্তফা জব্বার। বাংলাপেক্স ২০২০ উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ ডাক বিভাগ একটি ওভারপ্রিন্ট স্মারক পোস্টকার্ড, একটি ওভারপ্রিন্ট স্মারক ডাকটিকেট, একটি উদ্বোধনী খাম, একটি বিশেষ খাম এবং চারটি বিশেষ সিলমোহর প্রকাশ করে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তি।