রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ০১:২৭ পূর্বাহ্ন

ভোটকেন্দ্রে লাগানো দুটি সিসি ক্যামেরা চুরি হয়ে গেছে

লাইটনিউজ রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে লক্ষ্মীপুরে ঘটে যাওয়া একের পর এক ঘটনা দেশব্যাপী সমালোচনা সৃষ্টি করছে। জেলা নির্বাচন কার্যালয়ে আগুন ও অবৈধ ভোটের সিল তৈরির পর এবার সামনে এসেছে ভোটকেন্দ্রের সিসি ক্যামেরা চুরির ঘটনা।

বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পুলিশ চুরি হওয়া সিসি ক্যামেরা উদ্ধার কিংবা কাউকে আটক করতে পারেনি। এর আগে ২ ফেব্রুয়ারি সদর উপজেলার কুশাখালী ইউনিয়নের দক্ষিণ ছিলাদি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মমতাজ বেগম থানায় অভিযোগ করেন। অভিযোগে ৩ দিন পার হলেও কাউকে আটক করতে পারেনি পুলিশ।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২২ জানুয়ারি দক্ষিণ ছিলাদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভোটকেন্দ্রে তিনটি সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছিল। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) বিকেল ৪টায় নির্ধারিত সময়ে স্কুল ছুটি দিয়ে শিক্ষকরা চলে যান। এরপর টানা তিনদিন স্কুল বন্ধ ছিল। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) সকালে বিদ্যালয়ে এসে শিক্ষকরা দেখতে পান, নিচতলায় স্থাপিত তিনটি সিসি ক্যামেরার মধ্যে দুইটি খুলে নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা।

প্রধান শিক্ষক মমতাজ বেগম বলেন, চোর আটক বা সিসি ক্যামেরা উদ্ধারের বিষয়ে পুলিশের কাছ থেকে কোনো তথ্য পাইনি। ২২ জানুয়ারি সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়। ২৯ জানুয়ারি বিকেলে আমরা স্কুল ছুটি শেষে বাড়ি যাই। সরকারি ছুটি শেষে সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) সকালে এসে দেখি সিসি ক্যামেরা নেই।

এ ঘটনায় জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মহসিন কবির মুরাদ সাংবাদিকদের বলেন, নির্বাচন যেন সুষ্ঠু না হয়, সেজন্য গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবেই এই কাজ করা হয়েছে। এটি সুস্থ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পথে বড় ধরনের বাধা।

জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাসিবুর রহমান হাসিব বলেন, যাদের অসৎ উদ্দেশ্য রয়েছে তারাই ক্যামেরা চুরি করেছে। অবাধ-সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য সিসি ক্যামেরা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নাশকতামূলক কার্যক্রমের লক্ষ্যে, ভোট কারচুপি ও ভোটকেন্দ্রে গোলযোগে সৃষ্টি করার পাঁয়তারা অংশ হতে পারে।

চন্দ্রগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোরশেদ আলম বলেন, সিসি ক্যামেরা চুরির তথ্য আমরা সংগ্রহ করছি। এছাড়া প্রশাসনের পক্ষ থেকে সিসি ক্যামেরা লাগানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে। তবে কেউ আটক নেই, আমরা স্থানীয়ভাবে খোঁজ খবর নিচ্ছি।

এ ব্যাপার জানতে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ক্যাথোয়াইপ্রু মারমাকে একাধিকবার কল দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।

আরো সংবাদ

© All rights reserved © 2020 Lightnewsbd

Developer Design Host BD