নারী বিশ্বকাপে শেষ চারের স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখতে হলে জিততেই হবে বাংলাদেশকে। জয় দিয়ে টুর্নামেন্ট শুরুর পর হ্যাটট্রিক হারে নিজেদের পথটা কঠিন করেছেন নিগার সুলতানা জ্যোতিরা।
এমন সমীকরণে আজ বিশাখাপত্তনমে খেলতে নেমে অস্ট্রেলিয়াকে ১৯৯ রানের লক্ষ্য দিয়েছে বাংলাদেশ। প্রতিপক্ষের বিপক্ষে বাংলাদেশের দলীয় সর্বোচ্চ।
আগের সর্বোচ্চ ছিল ১৩৫, ২০২২ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপে। প্রতিপক্ষকে রেকর্ড লক্ষ্য দেওয়ার কারিগর সোবহানা মোস্তারি। নির্ধারিত ওভার শেষে ৬৬ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি।
শুরুর সুরটা অবশ্য গেঁথেছেন রুবাইয়া হায়দার ঝিলিক।
ওপেনিংয়ে নেমে ৪৪ রানের ইনিংস খেলে। উদ্বোধনী জুটিতে ফারজানা হক পিংকিকে নিয়ে ৩২ রানের জুটি গড়েন তিনি। ফারজানা ৮ রানে আউট হওয়ার পর ইনিংসের সর্বোচ্চ জুটিটা গড়েন শারমিন আক্তার সুপ্তাকে নিয়ে।
এবার অবশ্য তাদের ৪১ রানের জুটিটি ভাঙে ঝিলিকের আউটের মধ্যে দিয়ে।
৮ চারে পঞ্চাশ ছুঁই ছুঁই ইনিংস খেলে তার বিদায়ের পরেই একের পর এক উইকেট হারায় বাংলাদেশ। তবে পাঁচে নেমে এক প্রান্ত আগলে রাখেন মোস্তারি।
সতীর্থরা আসা-যাওয়ার মিছিলে থাকলেও অস্ট্রেলিয়ার বোলারদের বিপক্ষে লড়ে যান মোস্তারি। তার বীরত্বেই শেষ পর্যন্ত অলআউট হয়নি বাংলাদেশ। অবশ্য বাংলাদেশের অলআউট না হওয়ার পেছনে অবদান রয়েছে অস্ট্রেলিয়ার ফিল্ডারদেরও।
দলীয় ১৩১ রানে বাংলাদেশ ৬ উইকেট হারালে শঙ্কা জাগে ১৭০ করতে পারবে কিনা। সেখান থেকে বোলিংটা যাদের মূল কাজ সেই লোয়ার অর্ডারের ব্যাটারদের নিয়ে দলকে ১৯৮ রান এনে দিয়েছেন মোস্তারি। এই রানে শেষের ৩৩ রানের অপরাজিত জুটি সবচেয়ে বড় অবদান রেখেছে। মোস্তারির ২৫ রানের বিপরীতে মাত্র ১ রান করে সঙ্গ দিয়েছেন ফারিয়া তৃষ্ণা।
বিশ্বকাপে দ্বিতীয় ফিফটি পেয়েছেন মোস্তারি। ইংল্যান্ডের পর আজকের ফিফটির ইনিংসটি সাজিয়েছেন ৯ চারে। প্রতিপক্ষের হয়ে সর্বোচ্চ ২টি করে উইকেট নিয়েছেন অ্যাশলেই গার্ডনার, অ্যানাবেল সাদারল্যান্ড, অ্যালেনা কিং ও জর্জিয়া ওয়ারেহাম।