শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৫৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
৭ দশক পর আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের নেতৃত্বে পাকিস্তান মানবতার কল্যাণ সব ধর্মেরই অন্যতম মূল শিক্ষা: প্রধানমন্ত্রী দেশের ৩ বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের পর সাজেকে ফিরছেন পর্যটকেরা, স্বাভাবিক যান চলাচল উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা হবে, গুজবে কান না দেওয়ার আহ্বান পার্বত্যমন্ত্রীর দুর্নীতি প্রতিরোধে তরুণদের সোচ্চার হওয়ার আহ্বান ডেপুটি স্পিকারের জাতীয় প্রতিযোগিতার সেরা তরুণদের জাতিসংঘে পাঠাতে সহযোগিতা করবে সরকার: মাহ্‌দী আমিন চলতি বছর বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ: অর্থমন্ত্রী লিবিয়ার জিম্মিদশায় ১১৯ মাফিয়ার মানব পাচার নেটওয়ার্ক মোটরসাইকেলের সামনে নম্বরপ্লেট লাগানো নিয়ে সময়সীমা বেঁধে দিল বিআরটিএ

যত দিন বেঁচে আছি এতিমদের পাশে থাকবো

লাইটনিউজ রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১৪ আগস্ট, ২০২০

আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এতিমদের উদ্দেশে বলেছেন, তোমরা যারা এতিম তাদের ব্যথা আমরা বুঝি। আমিও একদিন ঘুম থেকে উঠে শুনি আমার বাবা-মা-ভাইসহ কেউ নেই। সে কারণে আমরা এতিমদের দুঃখ বুঝি। তোমরা যারা এতিম, তারা একা নও। যতদিন বেঁচে আছি ততদিন তোমাদের পাশে আমি আছি।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ ১৫ আগস্ট শহীদদের স্মরণে আজ শুক্রবার ৫০ হাজারবার কোরআন খতম উপলক্ষে আয়োজিত দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় ও সমাজ কল্যাণ অধিদফতর এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

বিভিন্ন এতিম খানা ও সরকারি শিশু পল্লী থেকে শিশুরা মোনাজাতে অংশ নেয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দোয়া মাহফিলে অংশ নেন।

এতিমদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, তোমাদের জন্য অর্থ বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হয়েছে । তোমরা প্রতিটি শিশু যেন নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারো এজন্য তোমাদের ভোকেশনাল ট্রেনিং দেয়া হচ্ছে। বাবা-মা কারো চিরকাল থাকে না। তোমরা মানুষের মতো মানুষ হলে বাবা-মা যেখানেই থাকুক, তারা তোমাদের জন্য দোয়া করবেন। তোমরা মানুষ হতে পারলে তোমরাও একদিন এতিমদের পাশে দাঁড়াতে পারবে।

তিনি বলেন, আমি এবং আমার ছোট বোন শেখ রেহানা সব সময় তোমাদের মতো এতিম এবং অসহায়দের কথা ভাবি। এজন্য তাদের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা কিভাবে দেয়া যায় আমরা সে চিন্তা করি। তাদের জন্য অনেক সুযোগ-সুবিধা বাস্তবায়ন করেছি। আমাদের জীবনে তোমরাই সবচেয়ে আপনজন। এজন্য আমাদের পরিবারে যে কারো জন্মদিনে আমরা বাইরে বড় করে কোনো অনুষ্ঠান না করে তোমাদের মত এতিমদের কাছে আমরা মিষ্টি ও খাবার পাঠাই।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বড়লোকেরা তো সব সময় ভালো ভালো খাবার খায়। যে কারণে জন্মদিনে অন্য কাউকে দাওয়াত না করে আমরা তোমাদের মতো শিশুদের দাওয়াত করি। তোমাদের জীবন সুন্দর হোক, সফল হোক। মন দিয়ে পড়াশোনা করবে। সততা, নিষ্ঠা ও একাগ্রতা নিয়ে তোমরা কাজ করবে। নিজেরা বড় হতে পারলে তোমরা একদিন এই রাষ্ট্রের উপকার করতে পারবে।

অন্য প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, হিজড়া এবং বিভিন্ন অনগ্রসর জাতিকেও আমরা সহযোগিতা করছি। যারা হিজড়া তারাও তো কোনো না কোনো মায়ের সন্তান। কেন তাদের দূরে ঠেলে দেয়া হয়, কেন তাদের রাস্তায় নামিয়ে দেয়া হয়। তারাও পরিবারের সন্তান, তারাও পরিবারেই বড় হবে।

লাইটনিউজ/এসআই

আরো সংবাদ

© All rights reserved © 2020 Lightnewsbd

Developer Design Host BD