মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৪৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
টিকিট নিয়ে সতর্কবার্তা বাংলাদেশ রেলওয়ের যুক্তরাষ্ট্রে ড. ইউনূসকে হেনস্তা, হাসিনাকে দায়ী করলেন জামায়াত আমির লটারির মাধ্যমে প্রকৌশলীদের বদলি-পদায়ন করা হচ্ছে: গণপূর্ত মন্ত্রী ফিলিস্তিনের পক্ষে অবস্থান, যুক্তরাষ্ট্র-কানাডায় ৭৬ শিক্ষাবিদ চাকরিচ্যুত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে ৬ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১২১৩ ডেঙ্গু সচেতনতা বাড়াতে পাড়া-মহল্লায় মাইকিংয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর হরমুজে বাইরের শক্তির হস্তক্ষেপ বরদাশত করবে না ইরান: আইআরজিসি প্রধান জুলাই হত্যা মামলায় জামিন পেলেন আইভী দুর্যোগ মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি ও বাস্তবভিত্তিক যথাযথ নগর পরিকল্পনার আহ্বান রাষ্ট্রপতির বাংলাদেশকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে বিশ্বব্যাংক প্রস্তুত: অর্থমন্ত্রী

রাসেলকে আরও ২০ লাখ টাকা দিতে গ্রিন লাইনকে নির্দেশ

লাইটনিউজ রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২০

বাসচাপায় পা হারানো রাসেল সরকারকে তিন মাসের মধ্যে একসঙ্গে আরও ২০ লাখ টাকা দিতে গ্রিন লাইন পরিবহনকে নির্দেশ দিয়ে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট।

ক্ষতিপূরণ প্রশ্নে ইতিপূর্বে দেওয়া রুল নিষ্পত্তি করে আজ বৃহস্পতিবার বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত ভার্চুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রায় দেন।

আদালত বলেছেন, তিন মাসের মধ্যে এক সঙ্গে ২০ লাখ টাকা দিতে গ্রিন লাইনকে নির্দেশ দেওয়া হলো। তিন মাসের মধ্যে ওই অর্থ দিয়ে পরবর্তী ১৫ দিনের মধ্যে নির্দেশ বাস্তবায়ন বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলের কাছে প্রতিবেদন দেবে গ্রিন লাইন।

২০১৮ সালের ২৮ এপ্রিল মেয়র হানিফ ফ্লাইওভারে গ্রিনলাইন পরিবহনের একটি বাস চাপা দেয় রাসেলকে। যাতে তিনি পা হারান।

রাসেলের পা হারানোর ঘটনায় কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী উম্মে কুলসুম একটি রিট করেন। একই বছরের ১৪ মে হাইকোর্ট রুল দেন। রুলে রাসেলকে কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়।

এর ধারাবাহিকতায় গত বছরের মার্চে হাইকোর্ট এক আদেশে রাসেলকে ৫০ লাখ টাকা দিতে এবং প্রয়োজন হলে তাঁর পায়ে অস্ত্রোপচার ও কাটা পড়া বাঁ পায়ে সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে কৃত্রিম পা লাগানোর খরচ বহন করতে গ্রিন লাইন পরিবহনকে নির্দেশ দেন আদালত।

পরে আদালতের এই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করে গ্রিন লাইন পরিবহন কর্তৃপক্ষ। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত বছরের অক্টোবরে আপিল বিভাগে প্রতি মাসে রাসেলকে ৫ লাখ টাকার করে কিস্তিতে গ্রিন লাইন কর্তৃপক্ষকে অর্থ পরিশোধ করতে দেওয়া আদেশ স্থগিত হয়। রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ওই স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়।

পরবর্তীতে হাইকোর্টে গত ৫ মার্চ রুলের ওপর শুনানি শেষ হয়। সেদিন আদালত ১৫ এপ্রিল রায়ের জন্য তারিখ রাখেন। তবে করোনা সংক্রমণের কারণে আদালতে ছুটি থাকায় ধার্য তারিখে রায় হয়নি।

এরপর রায় প্রদানের জন্য রিটটি কার্যতালিকায় ওঠে। সে অনুসারে আজ রায়ের জন্য দিন ছিল। রায়ের আগে আদালত পক্ষগুলোর বক্তব্য শোনেন। এরপর ওই সিদ্ধান্ত দিয়ে রায় দেন।

আদালতে রিটের পক্ষে আইনজীবী খন্দকার শামসুল হক রেজা শুনানি করেন। গ্রিন লাইনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী শাহ মঞ্জুরুল হক। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আবদুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার। সঙ্গে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল এম সাইফুল আলম। বিআরটিএর পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. মোয়াজ্জেম হোসেন।

ইতিপূর্বে রাসেল সরকার প্রথম আলোকে বলেন, রায়ের আগে উচ্চ আদালতের আদেশের পর গেল বছর দুই দফায় ১০ লাখ টাকা দিয়েছে গ্রিন লাইন। আর চিকিৎসাবাবদ ৩ লাখ ৪২ হাজার টাকা দিয়েছে।

 

আরো সংবাদ

© All rights reserved © 2020 Lightnewsbd

Developer Design Host BD