শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৩:১২ অপরাহ্ন

শহীদ খামেনির রাষ্ট্রীয় জানাজা চলাকালে ট্রাম্পের কটাক্ষ

লাইটনিউজ রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৪ জুলাই, ২০২৬

ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির ছয় দিনের রাষ্ট্রীয় জানাজা শুরু হয়েছে। এ সময় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে ‘ভয়াবহভাবে আঘাত করেছে’ এবং অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার জন্য দেশটিকে ‘এক সপ্তাহ সময় দেওয়া হয়েছে’।

যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ২৫০তম বার্ষিকী উপলক্ষে মাউন্ট রাশমোরের কাছে দেওয়া এক ভাষণে ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা একদিনেই ভেনেজুয়েলাকে হারিয়েছি এবং ইরানকে ভয়াবহভাবে আঘাত করেছি। তারা এখন সমঝোতার জন্য মরিয়া। আমরা তাদের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার জন্য এক সপ্তাহ সময় দিয়েছি, কারণ আমরা ভালো মানুষ।’

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ বিমান হামলায় আলি খামেনি নিহত হন। ওই হামলার মধ্য দিয়েই যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধের সূচনা হয়। ইসলামি শরিয়াহ অনুযায়ী সাধারণত মৃত্যুর ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই দাফন সম্পন্ন করার বিধান থাকলেও যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে তার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার বিলম্বিত হয়।

গত মাসে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি স্বাক্ষরের পরও মধ্যপ্রাচ্যে দুই পক্ষের মধ্যে কয়েক দফা গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এতে যুদ্ধবিরতি নাজুক অবস্থায় পৌঁছালেও সাম্প্রতিক দিনগুলোতে সংঘর্ষের মাত্রা কিছুটা কমেছে।

ইরান ৪ জুলাই থেকে খামেনির রাষ্ট্রীয় জানাজা কর্মসূচি শুরু করেছে। ছয় দিনের এ কর্মসূচির অংশ হিসেবে ৭ জুলাই কোম শহরে ধর্মীয় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। ৯ জুলাই তার জন্মস্থান উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পবিত্র শহর মাশহাদে তাকে দাফনের মাধ্যমে অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন হবে।

জানাজা উপলক্ষে তেহরানসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে খামেনির ছবি সংবলিত পোস্টার ও বিলবোর্ড টানানো হয়েছে। গ্র্যান্ড মোসাল্লায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে কিছু শোককারীকে ট্রাম্পবিরোধী স্লোগানসংবলিত একটি ব্যানার বহন করতেও দেখা গেছে।

ভারতে ইরানের সর্বোচ্চ নেতার প্রতিনিধি আয়াতুল্লাহ হাকিম এলাহির বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, নিরাপত্তাজনিত কারণে আলি খামেনির ছেলে ও বর্তমান সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি তার বাবার শেষকৃত্যে প্রকাশ্যে অংশ নেবেন না।

তিনি বলেন, ইসরাইলের হুমকি ও নজরদারির ঝুঁকির কারণে মোজতবার প্রকাশ্যে উপস্থিতি বিপজ্জনক হতে পারে।

শেষকৃত্যে আলি খামেনির কফিনের পাশেই রাখা হয়েছে তার ১৪ মাস বয়সি নাতনির ছোট একটি কফিন। যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের হামলায় সেও নিহত হয়েছিল। একই সঙ্গে হামলায় নিহত খামেনির পরিবারের আরও কয়েকজন সদস্যের মরদেহও তার কফিনের পাশে রাখা হয়েছে।

সূত্র: এনডিটিভি

আরো সংবাদ

© All rights reserved © 2020 Lightnewsbd

Developer Design Host BD