বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৪৪ অপরাহ্ন

শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ী নৌরুটে যাত্রীদের ভোগান্তি

লাইটনিউজ রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২০

পদ্মায় তীব্র স্রোত ও নাব্যতা সংকটের কারণে গতকাল রোববার রাত থেকে শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ী নৌরুটে আবারও অনির্দিষ্টকালের জন্য ফেরি চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে ঘাট কর্তৃপক্ষ।

এতে সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকেই চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন পারাপারের জন্য ঘাটে আসা যাত্রীরা।

ফেরি বন্ধের খবর অনেকেই আগে থেকে জানতেন না। তাই অনেক যাত্রী ঘাট থেকে ফিরে যাচ্ছেন। অনেকে অতিরিক্ত ভাড়ার বিনিময়ে ট্রলারে চেপে নদী পারাপার হচ্ছেন। ফেরি চলাচল বন্ধ হওয়ায় লঞ্চ ও স্পিডবোটে যাত্রীদের উপস্থিতি বেশি দেখা গেছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, ফেরি চলাচলের পথে প্রতিনিয়ত পলি জমছে। এছাড়া পদ্মার চর ভেঙে চ্যানেল আরও সংকীর্ণ হয়ে পড়েছে। এতে প্রমত্তা পদ্মায় ভয়াবহ পরিস্থিতির তৈরি হচ্ছে। এতে নাব্যতা সংকটের পাশাপাশি অসংখ্য ডুবোচর তৈরি হয়েছে।

বিআইডব্লিউটিএ- এর অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. সাইদুর রহমান জানান, একটি চ্যানেল দিয়ে ফেরি চলাচলের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করা হচ্ছে। তবে কবে নাগাদ সেটা চালু হবে তা বলা যাচ্ছে না।

তিনি বলেন, ‘কয়েকদিন ধরেই পদ্মার চর ভেঙে পলি এসে জমছে। এছাড়া খননকালে অতিরিক্ত পলি জমা হচ্ছে ফেরি চলাচলের পথে। ড্রেজিং করেও সংকট নিরসন করা যাচ্ছে না। একটি চ্যানেল দিয়ে ফেরি চালুর জন্য পরিকল্পনা চলছে। তবে এটি দিয়ে পরীক্ষামূলক ফেরি চালুর পর বিস্তারিত বলা যাবে।’

শিমুলিয়া ঘাটের বিআইডব্লিউটিসির ব্যবস্থাপক সাফায়েত আহমেদ (বাণিজ্য) জানান, ফেরি চলাচলের চ্যানেল বিপর্যয় হওয়ায় রোববার রাত ৯টা থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য ফেরি বন্ধ রাখা হয়েছে। কবে ফেরি চালু হবে এ বিষয়ে এখনই বলা যাচ্ছে না। সবাইকে অন্য রুট ব্যবহার করতে অনুরোধ করা হচ্ছে।

মুন্সীগঞ্জের মাওয়া ঘাটের ট্রাফিক ইনচার্জ (টিআই) হিলাল উদ্দিন জানান, শিমুলিয়া ঘাটে পারের অপেক্ষায় আছে ১০০টির মতো পণ‌্যবাহী যানবাহন। এর মধ্যে বেশিরভাগ পণ্যবাহী ট্রাক ও পিকআপ ভ্যান। যাত্রীবাহী গাড়ি কিছু ঘাটে এসে আবার অন্য রুটে ফিরেও যাচ্ছে। এতে যাত্রীদের বেশি পথ পাড়ি দিতে হচ্ছে। তাতে ভোগান্তি বাড়ছে।

শিমুলিয়া ঘাট এলাকার ট্রাক চালকরা জানান, ৫-৬ দিন ধরে এই ঘাটে অবস্থান করছি। কবে ফেরি চালু হবে কিছুই জানা যাচ্ছে না। অন্য রুট ব্যবহার করতে হলে ভাড়াও বেশি দিতে হবে। অতিরিক্ত ভাড়া কাছে নেই, তাই বসে থাকতে হচ্ছে।

কয়েকজন মোটরসাইকেলের যাত্রী জানান, মোটরসাইকেল নিয়ে শিমুলিয়া ঘাট থেকে ট্রলারে কাঁঠালবাড়ী ঘাট যেতে ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা লাগছে। যেখানে ফেরি চালু থাকলে মাত্র ৭০ টাকা লাগতো।

লাইটনিউজ

আরো সংবাদ

© All rights reserved © 2020 Lightnewsbd

Developer Design Host BD