সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা থানার পাঁচলিয়া হাটে বনিক সমিতির সভাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে জিল্লু রহমান (৪০) নামে এক ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আব্দুল্লাহ নামে আরও একজন আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে থানার হাটিকুমরুল ইউনিয়নের পাঁচলিয়া বাজারে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত জিল্লুর রহমান পাঁচলিয়া গ্রামের মৃত শাহ আলমের ছেলে এবং তিনি হাটিকুমরুল ইউনিয়ন পরিষদের ৬নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য। এ ছাড়াও জিল্লুর রহমান ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি।
পাঁচলিয়া হাটের ইজারাদার ওয়াজেদ আলী জানান, সলঙ্গা থানা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক আরাফাত রহমান বণিক সমিতির মিটিংয়ের নামে পাঁচলিয়া হাটে গণ জমায়েত করার চেষ্টা করছিল। বিষয়টি আমরা উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে অবগত করলে তিনি পুলিশ পাঠিয়ে দেন। পুলিশের সামনেই আরাফাত গং সেখানে মিটিং করার চেষ্টা করে। আমরা বাধা দিতে গেলে দুই পক্ষের কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে সংঘর্ষ বাধে। ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার একপর্যায়ে প্রতিপক্ষের মারপিটে আহত হন ইউপি সদস্য জিল্লর রহমান। তাকে উদ্ধার করে সিরাজগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় আব্দুল্লাহ নামে আরও একজন আহত হয়েছেন। তাকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
অপরদিকে সলঙ্গা থানা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক আরাফাত রহমান বলেন, আমরা বণিক সমিতির সভা আহবান করার পর প্রভাবশালী এক ব্যক্তির গুন্ডাবাহিনী বাধা দিলে কথা কাটাকাটি হয়। কোন মারপিটের ঘটনা ঘটেনি। ওই ইউপি সদস্য আগে থেকেই অসুস্থ ছিলেন, তাই স্ট্রোক করে মারা গেছেন।
সলঙ্গা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হুমায়ুন কবির জানান, দু্ই পক্ষের কথা কাটাকাটি হয়েছে এবং মারামারির ঘটনা ঘটেছে বলে জানতে পেরেছি। তিনি আরও বলেন, ময়নাতদন্ত হচ্ছে এতে করে ইউপি সদস্যের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। বর্তমানে ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
লাইট নিউজ