জামালপুর প্রতিনিধি : জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কোয়ার্টারে নিজ কক্ষ থেকে চিকিৎসক সুলতানা পারভীনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
রোববার (১৬ আগস্ট) সন্ধ্যা ছয়টার দিকে চিকিৎসকের কক্ষের দরজা ভেঙে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রেজাউল ইসলাম খান বলেন, তার কক্ষের দরজা ভেঙে পুলিশ ওই চিকিৎসকের মরদেহ বিছানায় পড়ে থাকা অবস্থায় দেখতে পায়। ময়নাতদন্তের জন্য জামালপুর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে মরদেহ পাঠানো হয়েছে। এখনও মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে কোনও ধারণা করা যাচ্ছে না। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পরই তার মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।
পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তিনি একাই থাকতেন। তিনি মেলান্দহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তার বাড়ি রাজশাহী বিভাগে। তবে ছুটিতে তিনি ঢাকার মোহাম্মদপুরের একটি আবাসিক এলাকায় নিজের ফ্ল্যাটে থাকতেন বলে জানা যায়।
পুলিশ ও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে জানা যায়, গতকাল শনিবার রাত নয়টা থেকে আজ রোববার বিকেল পর্যন্ত সুলতানা পারভীনকে কেউ দেখেননি। সকাল থেকে তিনি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেও যাননি।
বিকেলের দিকে সবার সন্দেহ হয়। পরে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো.ফজলুল হকসহ কয়েকজন চিকিৎসক ওই কোয়ার্টারে যান। তারা কক্ষের দরজায় অনেক ডাকাডাকি করেও ভেতর থেকে কোনও সাড়াশব্দ পাননি। পরে পুলিশকে খবর দেয়া হয়। পুলিশ এসে তার কক্ষের দরজা ভেঙে ওই চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধার করে।
লাইট নিউজ