হরমুজ প্রণালী পুনরায় চালুর জন্য একটি কাঠামোগত সমঝোতায় পৌঁছেছে ইরান ও ওমান। বৃহস্পতিবার আল আরাবিয়া ইংলিশকে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এ বিষয়ে কয়েক দিনের মধ্যেই ঘোষণা আসতে পারে। তবে, তেহরান ও মাস্কাটের মধ্যে হওয়া এই চুক্তির জন্য এখনও ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের অনুমোদন প্রয়োজন।
সূত্রটি আল আরাবিয়া ইংলিশকে জানিয়েছে, প্রস্তাবিত হরমুজ চুক্তিটি ৬০ দিন স্থায়ী হবে এবং এর লক্ষ্য হলো সামুদ্রিক যান চলাচল পুনরায় শুরু করা। সূত্রটি আরও জোর দিয়ে বলেছে যে, এই ৬০-দিনের চুক্তির উদ্দেশ্য হলো অচলাবস্থা ভাঙা এবং প্রযুক্তিগত আলোচনা শুরু করা।
সমঝোতা অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালীতে প্রবেশকারী জাহাজগুলো ইরানের কাছাকাছি নৌপথ ব্যবহার করবে, আর প্রণালী থেকে বের হওয়া জাহাজগুলো ওমানের কাছাকাছি নৌপথ দিয়ে চলাচল করবে।
সূত্রটি উল্লেখ করেছে যে, মাইন অপসারণের ক্ষেত্রে আঞ্চলিক পক্ষগুলো এই প্রক্রিয়াগত কার্যক্রমে অংশ নিতে পারে।
সূত্রটি আল আরাবিয়া ইংলিশকে আরও জানিয়েছে যে, মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনা চলছে এবং এই আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে।
সূত্রটি প্রকাশ করেছে যে, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি সম্প্রতি পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসমি মুনিরের সঙ্গে দুটি ফোন আলাপ করেছেন এবং এই সপ্তাহান্তে বা আগামী সপ্তাহের শুরুতে আরাঘচির ইসলামাবাদ সফরের কথা রয়েছে।
সূত্রটি উল্লেখ করেছে যে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার আলোচনার সর্বশেষ অগ্রগতি সম্পর্কে পাকিস্তানি কর্মকর্তারা সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানকে অবহিত করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
ইরানের হামলার কারণে উপসাগরীয় দেশগুলোতে ছড়িয়ে পড়া এই সংঘাতে পাকিস্তান মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করেছে।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ ও মুনির ৬ থেকে ৮ আগস্ট সৌদি আরব সফর করবেন বলে বৃহস্পতিবার দেশটির পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, উভয় কর্মকর্তার সঙ্গে একটি উচ্চ-পর্যায়ের প্রতিনিধিদল থাকবে এবং শরীফের এমবিএস-এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করার কথা রয়েছে।