বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ০১:৫৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
হাসিনার আমলে সাড়ে ৪ হাজারের বেশি মানুষ হত্যার শিকার: আইনমন্ত্রী সরকারের ডকুমেন্টারির সমালোচনা করলেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে জরুরি বৈঠকে ইনফান্তিনো আমেরিকা নির্ভর না হয়ে ইউরোপকে নিজস্ব ‘যুদ্ধকৌশল’ গড়তে হবে ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু জাপানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি উত্তর কোরিয়ার ইরানে ৫৬ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর, তাদের অধিকাংশ বিক্ষোভকারী ইসরায়েলের বিরুদ্ধে সিদ্ধান্ত নিতে মুসলিম পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক ভিসাসেবা নিয়ে ভারতীয় হাইকমিশনের সতর্কতা জারি দুর্বল চুক্তিই বাড়াচ্ছে ইরান যুদ্ধে নতুন সংঘর্ষের ঝুঁকি: বিশ্লেষক

হাসিনার আমলে সাড়ে ৪ হাজারের বেশি মানুষ হত্যার শিকার: আইনমন্ত্রী

লাইটনিউজ রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬

আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, গত ১৬ বছরের শাসনামলে বিনা বিচারে ‘ক্রসফায়ারের’ নামে সাড়ে চার হাজারেরও বেশি মানুষকে পাখির মতো গুলি করে হত্যা করা হয়েছে।

বুধবার (৫ আগস্ট) বিকালে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে বাংলাদেশ আবৃত্তি ফেডারেশনের ত্রিবার্ষিক উৎসব ও জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মরণে আয়োজিত বিশেষ আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, একই সময়ে ৭০০-এর বেশি মানুষ গুমের শিকার হয়েছেন এবং বিরোধী রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে ৬০ লাখেরও বেশি মানুষের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও গায়েবি মামলা দেওয়া হয়েছিল।

‘২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থান কোনো আকস্মিক ঘটনা ছিল না’ উল্লেখ তিনি আরও বলেন, এটি দীর্ঘ ১৬ বছরের সংগ্রাম, ত্যাগ ও নির্যাতনের যৌক্তিক এবং সফল পরিণতি। যারা জীবন দিয়েছেন, গুম হয়েছেন কিংবা মিথ্যা মামলার শিকার হয়েছেন— তাদের আত্মত্যাগের ধারাবাহিকতার মধ্য দিয়েই জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থান সফল হয়েছে।

‘স্বৈরাচারী শাসনামলে সাড়ে চার হাজারেরও বেশি মানুষকে ক্রসফায়ারের নামে হত্যা করা হয়েছে’ উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ৭০০ এর বেশি মানুষ গুম হয়েছে, যাদের স্বজনরা আজও তাহাজ্জুদের নামাজ পড়ে প্রিয়জনের ফিরে আসার অপেক্ষা করেন।

তিনি বলেন, ৬০ লাখের বেশি মানুষ মিথ্যা ও গায়েবি মামলার আসামি হয়েছেন। এমনও ঘটনা ঘটেছে, যেখানে বহু আগে মারা যাওয়া ব্যক্তি, হজে থাকা মানুষ কিংবা দুই হাত হারানো প্রতিবন্ধী ব্যক্তির বিরুদ্ধেও বোমা হামলার অভিযোগ আনা হয়েছিল।

সংস্কৃতিচর্চার গুরুত্ব তুলে ধরে আইনমন্ত্রী বলেন, আইনমন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি জানতে পারেন- দেশে আবৃত্তিকে শিল্পের স্বতন্ত্র শাখা হিসেবে কোনো প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি ছিল না। পরে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনেই আইন সংশোধনের মাধ্যমে আবৃত্তিকে নৃত্য ও সংগীতের মতো বাংলাদেশের শিল্প-সংস্কৃতির একটি স্বীকৃত শাখা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

তিনি বলেন, আবৃত্তি মানুষকে গণতন্ত্রমুখী, মুক্তচিন্তার এবং মানবিক করে তোলে। একটি বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক ও রক্তপাতহীন সমাজ গঠনে আবৃত্তিশিল্পীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তাই এ ধরনের উদ্যোগের পাশে সরকার থাকবে।

আরো সংবাদ

© All rights reserved © 2020 Lightnewsbd

Developer Design Host BD