বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ০২:৪৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
এমপি পদ ছাড়তে গাজী নজরুলকে জামায়াতের আলটিমেটাম, না মানলে স্পিকার-ইসিতে চিঠি জামায়াত থেকে বহিষ্কারের পর গাজী নজরুল ইসলামের এমপি পদ কি থাকবে? ইরান যুদ্ধে বেড়েই চলেছে মার্কিন ক্ষয়ক্ষতি, আহত সেনার সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়েছে ইরানে সেতু ও বিদ্যুৎকেন্দ্রে বোমা ফেলার হুমকি পুনর্ব্যক্ত করলেন ট্রাম্প এ বছর না হলে আগামী বছরের শুরুতে স্থানীয় সরকার নির্বাচন: মির্জা ফখরুল মোদিকে ক্ষমা চাইতে বললেন রাহুল জিয়াউর রহমানের দর্শনের আলোকেই ঐক্যবদ্ধ দেশ গড়া সম্ভব: তথ্যমন্ত্রী সবচেয়ে শক্তিশালী পাসপোর্ট সিঙ্গাপুরের, বাংলাদেশের অবস্থান ৯৭ জ্বালানি তেল নিয়ে নতুন বার্তা ১২৮ বারের মতো পেছাল সাগর-রুনি হত্যা মামলার প্রতিবেদন দাখিল

১২৮ বারের মতো পেছাল সাগর-রুনি হত্যা মামলার প্রতিবেদন দাখিল

লাইটনিউজ রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় শেরেবাংলা নগর থানায় করা মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল পিছিয়ে আগামী ২৭ আগস্ট নতুন দিন ধার্য করেছেন আদালত। এ নিয়ে মামলাটির প্রতিবেদন দাখিলে ১২৮ বার পেছাল।

আজ বুধবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম নতুন এ দিন ধার্য করেন।

এই মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল আজ। তবে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. আজিজুল হক আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেননি। তবে সশরীরে হাজির হয়ে ব্যাখ্যা দিতে আদালতে উপস্থিত ছিলেন তিনি। পরে আদালত তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল পিছিয়ে আগামী ২৭ আগস্ট নতুন দিন ধার্য করেন।

এ মামলার আসামিরা হলেন রফিকুল ইসলাম, বকুল মিয়া, মাসুম মিন্টু, কামরুল ইসলাম ওরফে অরুন, আবু সাঈদ, সাগর-রুনির বাড়ির দুই নিরাপত্তারক্ষী পলাশ রুদ্র পাল ও এনায়েত আহমেদ এবং তাদের ‘বন্ধু’ তানভীর রহমান খান। এদের মধ্যে তানভীর জামিন রয়েছেন এবং পলাশ জামিনে গিয়ে পলাতক হয়েছেন। বাকিরা কারাগারে আটক রয়েছে।

২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সারোয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনিকে হত্যা করা হয়। এরপর নিহত রুনির ভাই নওশের আলম রোমান শেরেবাংলা নগর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।

প্রথমে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন ওই থানার এক উপপরিদর্শক (এসআই)। চারদিন পর চাঞ্চল্যকর এই হত্যা মামলার তদন্তভার ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়। দুই মাসেরও বেশি সময় তদন্ত করে রহস্য উদঘাটনে ব্যর্থ হয় ডিবি। পরে হাইকোর্টের নির্দেশে একই বছরের ১৮ এপ্রিল হত্যা মামলাটির তদন্তভার র‌্যাবের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

২০২৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর দম্পতি সাগর ও রুনি হত্যার ঘটনায় করা মামলার তদন্তে বিভিন্ন বাহিনীর অভিজ্ঞ তদন্ত কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন টাস্কফোর্স গঠনের নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে তদন্ত শেষে ছয় মাসের মধ্যে আদালতে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়।

আদালতের আদেশের পর ওই বছরের ১৭ অক্টোবর হাইকোর্টের নির্দেশে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জন নিরাপত্তা বিভাগ থেকে টাস্কফোর্স গঠন করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এতে পিবিআই প্রধানকে আহ্বায়ক করে ৪ সদস্যের উচ্চপর্যায়ের টাস্কফোর্স কমিটি গঠন করা হয়।

আরো সংবাদ

© All rights reserved © 2020 Lightnewsbd

Developer Design Host BD