বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১২:৫৪ পূর্বাহ্ন

চামড়ার দাম পাওয়া যাচ্ছে না, বিনামূল্যে সংগ্রহ করা হচ্ছে

লাইটনিউজ রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১০ জুলাই, ২০২২

কোরবানি শেষে বিভিন্ন স্থান থেকে কম মূল্যে চামড়া সংগ্রহ করেছেন মৌসুমি ও সাধারণ ব্যবসায়ীরা। এছাড়াও বিভিন্ন ধর্মীয় সংগঠন ও এতিমখানা বিনামূল্যে চামড়া সংগ্রহ করেছেন।

আগের মতো চামড়ার দাম নেই। তাই চামড়া নিয়েও তেমন আগ্রহ ছিল না মানুষের। এর পরেও গরুর আর মহিষের চামড়া কিছুটা বিক্রি হলেও ছাগলের মাংস বিনামূল্যেই সংগ্রহ করেছেন অনেকেই।

গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশের সদস্যরা বিভিন্ন স্থান থেকে গরু মহিষ ও ছাগলের চামড়া সংগ্রহ করেছেন। অনেকেই তাদের বিনামূল্যে চামড়া দিয়েছেন।

তারা বলছেন, বিভিন্ন স্থান থেকে চামড়া সংগ্রহ করেছি। চামড়া দাম কম হওয়ায় অনেকেই আমাদের বিনামূল্যে দান করে দিয়েছেন। সে চামড়াগুলো আমরা লবণ দিয়ে সংরক্ষণ করে পরে আড়তদারদের কাছে বিক্রি করবো।

বৃহত্তর চট্টগ্রাম কাঁচা চামড়া আড়তদার ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি এবার কোরবানির দিন মহানগরের বাইরে থেকে আসা কাঁচা চামড়া কিনছে না। আড়তদাররা উপজেলার মৌসুমি ব্যবসায়ী এবং মাদরাসা-এতিমখানা কর্তৃপক্ষের নিজ উদ্যোগে কাঁচা চামড়ায় লবণ দিয়ে সংরক্ষণ করে পরবর্তীতে কেনার কথা জানিয়েছেন।

কোরবানির পর দুপুর থেকে নগরীর মুরাদপুর, বিবিরহাট, আতুরার ডিপো, বহদ্দারহাট, চৌমুহনীসহ বিভিন্ন এলাকায় সংগ্রহ করা কাঁচা চামড়া নিয়ে আসছেন মৌসুমি সংগ্রহকারীরা। বিভিন্ন সড়কে জমছে কাঁচা চামড়ার স্তূপ।

প্রতিবারের মতো এবারও কোরবানির পশুর চামড়ার দর নির্ধারণ করে দিয়েছে সরকার। লবণযুক্ত চামড়া প্রতি বর্গফুট ৪০ থেকে ৪৪ টাকা, খাসির চামড়া ১৮ থেকে ২০ টাকা। বকরির চামড়ার দর ১২ থেকে ১৪ টাকা।

বৃহত্তর চট্টগ্রাম কাঁচা চামড়া আড়তদার ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ মুসলিম উদ্দিন বলেন, “কিছু চামড়া এসেছে। সরকার নির্ধারিত দামেই চামড়া কেনা হচ্ছে। প্রথম দিন শুধু শহরের ভেতরে যেসব পশু কোরবানি হয়েছে সেগুলোর চামড়া আমরা কিনব। গরমের কারণে চামড়া ফেলে রাখলে নষ্ট হয়ে যাবে। তাই লবণ দিয়ে যথাযথভাবে সংরক্ষণ করে রাখা জরুরি।

এবারের ঈদুল আজহায় চট্টগ্রামে গরু, ছাগল, মহিষ মিলিয়ে চামড়া সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে সাড়ে তিন থেকে চার লাখ।

বাকলিয়া এলাকায় চামড়া সংগ্রহ করতে গাউসিয়া কমিটির সদস্য আসাদুল্লাহ বলেন, চামড়ার দাম নেই। তাই অনেকেই বিনামূল্যে আমাদেরকে দিচ্ছেন। আবার অনেকেই এতিমখানার জন্য দান করছেন।

ভিন্নবার্তা/এমএসআই

আরো সংবাদ

© All rights reserved © 2020 Lightnewsbd

Developer Design Host BD