রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১০:০১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মক্কা জোটে ঢাকার অন্তর্ভুক্তি নিয়ে সৌদি ও তুরস্ক ইতিবাচক, ঝুঁকি দেখছেন না প্রতিমন্ত্রী হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে সরকারের অবস্থান জিরো টলারেন্স: ত্রাণমন্ত্রী নিউ ইয়র্কে তোপের মুখে আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত এই বাংলাদেশে আর কোনো ‘আয়নাঘর’ থাকবে না: রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার বন্ধুত্ব পারস্পরিক বিশ্বাসের ওপর প্রতিষ্ঠিত: স্বাস্থ্যমন্ত্রী মুসলিম বিশ্বে বিভেদ সৃষ্টির চেষ্টা করছে শত্রুরা: খামেনি অনির্দিষ্টকালের জন্য হিলি স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ, ক্ষতির মুখে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় নিতে চায় সরকার : এলজিআরডি মন্ত্রী আমরা একটি নতুন অর্থনৈতিক মডেল চালু করেছি: অর্থমন্ত্রী রাজধানীর প্রধান সড়কে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চলাচল করতে পারবে না

মুঠোফোনে বিয়ে: দক্ষিণ আফ্রিকা গিয়ে খুন হন শান্তা

লাইটনিউজ রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৩০ আগস্ট, ২০২২

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের শান্তা ইসলাম (২২) নামের এক গৃহবধূকে দক্ষিণ আফ্রিকায় পিটিয়ে ও কুপিয়ে খুন করার অভিযোগ উঠেছে স্বামী সুমন মিয়ার বিরুদ্ধে।

রোববার (২৮ আগস্ট) বাংলাদেশ সময় দিবাগত রাত ১টার দিকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। শান্তা ইসলাম উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের থলপাড়া গ্রামের ছালাম শিকদারের মেয়ে।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, পার্শ্ববর্তী বাসাইল উপজেলার কাঞ্চনপুর দক্ষিণপাড়া গ্রামের খোকা মাস্টারের ছেলে সুমন মিয়া প্রায় ৮ বছর আগে দক্ষিণ আফ্রিকায় যান। পরবর্তীতে সেখানেই ব্যবসা শুরু করেন।

বছর খানিক আগে থলপাড়া গ্রামের ছালাম শিকদারের মেয়ে শান্তা ইসলামকে পারিবারিকভাবে মুঠোফোনে বিয়ে করেন সুমন। বিয়ের ছয় মাস পরেই নববধূকে দক্ষিণ আফ্রিকা নিয়ে যান তিনি। এর কয়েক দিন পর থেকেই তাদের দাম্পত্য কলহ শুরু হয়।

সুমন ব্যবসার পরিধি বাড়ানোর জন্য শান্তাকে তার বাবার কাছ থেকে টাকা আনতে বলেন। এক পর্যায় শান্তাকে শারীরিক নির্যাতন শুরু করেন তিনি। বিষয়টি জানার পর সুমনকে কয়েক দফায় ৭ লাখ টাকা দেন শান্তার বাবা ছালাম শিকদার।

রোববারও শান্তাকে নির্যাতন করা হয়। বিকেলে মেয়েকে একাধিকবার কল দেন বাবা ছালাম শিকদার। কিন্তু দীর্ঘ সময় তার মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়। পরে ছালাম শিকদার আফ্রিকায় বসবাসরত তার আত্মীয়দের বিষয়টি জানান।

খবর পেয়ে রাতেই কয়েকজন আত্মীয় সুমনের বাসায় যান। ঘরের বাহির থেকে তালা মারা দেখতে পেয়ে তারা পুলিশকে বিষয়টি জানান। পুলিশ তালা ভেঙ্গে শান্তার মরদেহ দেখতে পান। নিহতের শরীরের বিভিন্ন অংশে জখম ও পেটে ১৪টি চাকুর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়।

ফতেপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রউফ মিয়া বলেন, ‘সুমন ব্যবসা বড় করার জন্য শান্তাকে তার বাবার কাছ থেকে টাকা নিতে বলে। এ নিয়ে তাদের মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া হতো। এক পর্যায়ে মেয়ের সুখের কথা চিন্তা করে ছালাম শিকদার লোন নিয়ে কয়েক দফায় সুমনকে ৭ লাখ টাকা দেন।’

তিনি বলেন, ‘রোববার শান্তাকে শারীরিক নির্যাতন করা হয়। এরপর থেকে তার মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়। পরে আফ্রিকায় বসবাসরত আত্মীয়দের বিষয়টি জানান ছালাম শিকদার। তারা সুমনের বাসায় গিয়ে ঘর তালা মারা দেখতে পান। পরে পুলিশকে খবর দিলে তারা এসে শান্তার মরদেহ উদ্ধার করে।’

রউফ মিয়া বলেন, ‘আইনি প্রক্রিয়া শেষে আগামী বৃহস্পতিবার অথবা শুক্রবার শান্তার মরদেহ দেশে আসতে পারে।’

আরো সংবাদ

© All rights reserved © 2020 Lightnewsbd

Developer Design Host BD