সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ০৭:৩৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বাবরি মসজিদ ভেঙে মোদির গড়া রাম মন্দিরে দুর্নীতির মহা কেলেঙ্কারি ডেঙ্গুতে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী বৈঠকের দিনক্ষণ জানালেন ট্রাম্প সরকার-এনজিও সমন্বয়ে প্রাথমিকে গুণগত পরিবর্তন আনতে চাই গাজায় ৩,৪৬৫ বার যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে ইসরাইল জাপানের বিপক্ষে ব্রাজিলের সম্ভাব্য একাদশ হাম উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১১৪৫ চাকরির জন্য তরুণদের বছরের পর বছর অপেক্ষা করতে হবে না : প্রধানমন্ত্রী ইরান যুদ্ধের কোনো লক্ষ্যই অর্জন করতে পারেননি ট্রাম্প: নিউজার্সির গভর্নর দেশজুড়ে ব্যাপক বজ্রবৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার আভাস, নদীবন্দরেও সতর্কতা

সেই শামীমাকে সিরিয়ায় পাচার করা হয়েছে

লাইটনিউজ রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২২

বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ নারী শামিমা বেগম ২০১৫ সালে তার দুই বান্ধবীসহ সিরিয়ায় যান। সেখানে তারা জঙ্গিগোষ্ঠী আইএসএসে যোগ দেন।

ব্রিটিশ গণমাধ্যমগুলো জানাচ্ছে, শামীমা বেগমকে সিরিয়ায় যেতে সহায়তা করেছিলেন কানাডিয়ান গোয়েন্দা সংস্থার একজন গুপ্তচর। তার নাম মোহাম্মদ আল রশিদ।

গণমাধ্যমগুলো আরও জানাচ্ছে, শামীমা বেগমের সিরিয়া যাওয়ার বিষয়টি জানত কানাডা। কিন্তু তারা সেটি চেপে যায়। আর ওই সময় শামীমা ও তার বান্ধবীদের খুঁজে বের করতে আন্তর্জাতিকভাবে সার্চ অভিযান শুরু করে যুক্তরাজ্য।

রিচার্ড কারবাজ নামে একজন গোয়েন্দা একটি বইয়ে এসব তথ্য জানিয়েছেন।

শামীমা বেগম, খাদিজা সুলতানা এবং আমিরা আবাসি ২০১৫ সালে যখন সিরিয়ায় পালিয়ে যান ইসলামিক স্টেট গোষ্ঠীতে যোগ দেয়ার জন্য তখন তারা লন্ডনের স্কুল ছাত্রী ছিলেন। সেসময় শামীমা বেগমের বয়স ছিল ১৫ বছর। অপর দুজনের বয়সও ছিল যথাক্রমে ১৬ এবং ১৫।

ইস্তাম্বুলের প্রধান বাস স্টেশনে তাদের সঙ্গে মোহাম্মদ আল রশিদ নামে এক ব্যক্তির দেখা হয়, যিনি তাদের সিরিয়ার ইসলামিক স্টেট নিয়ন্ত্রিত এলাকায় যেতে সাহায্য করেন।

মোহাম্মদ আল রশিদ যখন এভাবে সিরিয়ায় লোকজনকে পাচার করছিলেন, তখন তিনি কানাডার একটি নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার কাছে তথ্য পাঠাতেন।

গণমাধ্যম বিবিসির কাছে এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন একজন উর্ধ্বতন নিরাপত্তা গোয়েন্দা কর্মকর্তা, যিনি ইসলামিক স্টেটকে দমনের জন্য একটি আন্তর্জাতিক জোটের অন্তর্ভুক্ত এক সংস্থায় কাজ করেন।

বিবিসি মোহাম্মদ আল রশিদের ওপর একটি নথি সংগ্রহ করেছে, যাতে তার ব্যাপারে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এবং নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সংগৃহীত তথ্যই শুধু নয়, তার কম্পিউটারের হার্ড ড্রাইভ থেকে সংগৃহীত তথ্যও রয়েছে। কিভাবে তিনি কাজ করতেন, তার বিশদ একটা ধারণা পাওয়া যায় এসব তথ্য থেকে।

এদিকে শামীমা বেগম বর্তমানে সিরিয়ার একটি আশ্রয় কেন্দ্রে আছেন। জানা গেছে তার স্বামী সেখানে মারা গেছে। তাছাড়া তার যে দুই বান্ধবী তার সঙ্গে গিয়েছিল তারাও হামলায় মারা গেছে। যদিও শামীমা জানিয়েছিলেন, তার এক বান্ধবী এখনো হয়ত বেঁচে আছে।

আরো সংবাদ

© All rights reserved © 2020 Lightnewsbd

Developer Design Host BD