রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১০:০২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মক্কা জোটে ঢাকার অন্তর্ভুক্তি নিয়ে সৌদি ও তুরস্ক ইতিবাচক, ঝুঁকি দেখছেন না প্রতিমন্ত্রী হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে সরকারের অবস্থান জিরো টলারেন্স: ত্রাণমন্ত্রী নিউ ইয়র্কে তোপের মুখে আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত এই বাংলাদেশে আর কোনো ‘আয়নাঘর’ থাকবে না: রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার বন্ধুত্ব পারস্পরিক বিশ্বাসের ওপর প্রতিষ্ঠিত: স্বাস্থ্যমন্ত্রী মুসলিম বিশ্বে বিভেদ সৃষ্টির চেষ্টা করছে শত্রুরা: খামেনি অনির্দিষ্টকালের জন্য হিলি স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ, ক্ষতির মুখে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় নিতে চায় সরকার : এলজিআরডি মন্ত্রী আমরা একটি নতুন অর্থনৈতিক মডেল চালু করেছি: অর্থমন্ত্রী রাজধানীর প্রধান সড়কে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চলাচল করতে পারবে না

ইউরোপে বাংলাদেশিদের আশ্রয় আবেদনে নতুন রেকর্ড

লাইটনিউজ রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রায় ১০ লাখ মানুষ গেল বছর ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) দেশগুলোতে আশ্রয়ের আবেদন করেছেন। যা ২০১৬ সালের পর সর্বোচ্চ। ২০০৮ সাল থেকে পাওয়া হিসাবে সর্বোচ্চ আশ্রয় আবেদনের রেকর্ড গড়েছেন বাংলাদেশিরাও।

গেল বছর প্রায় ৩৪ হাজার বাংলাদেশি ইউরোপে আশ্রয়ের আবেদন করেছেন। ইউরোপীয় ইউনিয়নের আশ্রয় আবেদন-সংক্রান্ত সংস্থা ইইউএএ বুধবার এ পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছে। খবর ডয়চে ভেলের।

২০২১ সালে প্রায় ২০ হাজার বাংলাদেশি ইইউ প্লাস (ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭ দেশ, নরওয়ে ও সুইজারল্যান্ড) দেশগুলোতে আশ্রয়ের আবেদন জানিয়েছিলেন। এবার এই সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ বেড়েছে।

অনিয়মিত উপায়ে আসা ৩৩ হাজার ৭২৯ জন বাংলাদেশি ২০২২ সালে আশ্রয়ের আবেদন করেছেন। যা পাকিস্তানের নাগরিকদের পর আবেদনের দিক থেকে সপ্তম।

ইইউএএ’র তথ্য অনুযায়ী, তুর্কি, ভেনেজুয়েলান, কলম্বিয়ান, বাংলাদেশি ও জর্জিয়ানদের আবেদনের সংখ্যা অন্তত ২০০৮ সালের পর সব রেকর্ড ছাড়িয়েছে।

২০২২ সালে ইইউ প্লাস দেশগুলোতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আসা ৯ লাখ ৬৬ হাজার অভিবাসী আশ্রয়ের আবেদন করেছেন। এই সংখ্যা গত বছরের চেয়ে ৫০ শতাংশ বেশি এবং ছয় বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ।

এর বাইরে গত বছর প্রায় ৪০ লাখ ইউক্রেনীয় সাময়িক সুরক্ষার আওতায় ইউরোপে বসবাসের অনুমতি পেয়েছেন। ইইউএএ জানিয়েছে, ইউক্রেনীয়দের এই সাময়িক সুরক্ষার ব্যবস্থা করতে গিয়ে গোটা আশ্রয় আবেদন প্রক্রিয়ার ওপরই বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি হয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে নতুনদের জায়গা দিতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছে কর্তৃপক্ষ।

নিজ দেশে বর্ণ, ধর্ম, জাতীয়তা ও রাজনৈতিক কারণে কেউ নির্যাতনের শিকার হলে বা কারও জীবন হুমকির মুখে থাকলে তিনি আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী ইউরোপের দেশগুলোতে সুরক্ষা চেয়ে আবেদন করতে পারেন।

আরো সংবাদ

© All rights reserved © 2020 Lightnewsbd

Developer Design Host BD