মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৪৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ইরানকে মক্কা চুক্তিতে অন্তর্ভুক্তির আহ্বান রাশিয়ার কয়েক দিনের মধ্যেই দেশে গ্যাস পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে: পরিকল্পনা উপদেষ্টা ভ্রাতৃত্বের মেলবন্ধনকে ধ্বংসের জন্য প্রচেষ্টা চালাচ্ছে চক্রান্তকারীরা: রিজভী শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল উদ্বোধন ১৬ ডিসেম্বর মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আবুল কালাম আযাদের আপিল শুনানি অবকাশকালীন ছুটির পর: আপিল বিভাগ লং মার্চে বিদ্যুতের সঙ্গে মোলাকাত হয়নি: বিরোধীদলীয় নেতা বড়পুকুরিয়ার কয়লায় নতুন বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর আমিই বিশ্বের সেরা ফুটবলার—এমবাপ্পে শিল্প খাতে বিপর্যয়-তেলের দাম সর্বোচ্চ: হরমুজ নিয়ে কাতারের সতর্কর্তা ইতালিতে অভিনেত্রী বাঁধনের ওপর নিষিদ্ধ আ.লীগের হামলা

দার্জিলিংয়ের বন্যাকে ‘মানবসৃষ্ট’ বললেন মমতা ব্যানার্জী

লাইটনিউজ রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৫

উত্তরবঙ্গের বন্যা পরিস্থিতিকে ‘ম্যান মেড’ বা মানুষের তৈরি বিপর্যয় বলে অভিযোগ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী। সোমবার (৬ অক্টোবর) বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শনে গিয়ে এই কথা বলেন তিনি।

মমতা অভিযোগ করেন, সিকিম ও ভুটান থেকে আসা পানিতেই উত্তরবঙ্গে এই বিপর্যয় নেমে এসেছে। শুধু উত্তরবঙ্গের বিপর্যয় নয়, অতিরিক্ত পরিমাণে জল ছেড়ে রাজ্যকে বিপদে ফেলার জন্য ফের ডিভিসিকে দায়ী করেন তিনি।

তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী- বন্যায় উত্তরবঙ্গে ২৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে ১৮ জন দার্জিলিংয়ের ও পাঁচজন নাগরাকাটার। মৃতদের পরিবারকে নগদ পাঁচ লাখ টাকা ও স্পেশাল হোম গার্ডের চাকরি দেওয়া হবে।

মমতা ব্যানার্জী আরও বলেন, যদি ফারাক্কা খনন করতো, কলকাতা পোর্ট ও হলদিয়া খনন করতো; যদি ডিভিসি পাঞ্চেত, মাইথন, ভালো করে পলি সরিয়ে দিত, তাহলে কিন্তু এ অবস্থা হতো না। আরও বেশি পানি ধরে রাখার ক্ষমতা থাকতো তাদের।

তার ভাষ্য, সিকিমে তিস্তা ব্রিজের ওপর ১৪টা জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র তৈরি করা হয়েছে। পানি ধরে রাখবে কোথায়? সবটাই শিলিগুড়ি, মাটিগাড়া, কালিম্পংয়েতে এসে পড়ছে। অসুবিধার সম্মুখীন আমাদের হতে হচ্ছে। আর নিজেরা শুধু টাকা ইনকাম করে যাচ্ছে।

তৃণমূল প্রধান আরও বলেন, মাইথন, পাঞ্চেতে ঠিকমতো পানি রাখার জায়গা নেই, তাহলে বাঁধ রাখার মানে কী? পানি স্বাভাবিক নিয়মে আসতো, স্বাভাবিক নিয়মেই বেরিয়ে যেতো।

ভুটান সরকারকে চিঠি পাঠানো হয়েছে জানিয়ে মমতা বলেন, আমরা তাদের অনুরোধ করেছিলাম, ধীরে ধীরে জল ছাড়তে। এমনিতেই যা ছেড়েছিল, তাতে নাগরাকাটা পুরো ডুবে গেছে। জলপাইগুড়ি, দার্জিলিং, মিরিক, ধুপগুড়ি সব ভেসে গেছে।

মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, এখন পর্যন্ত প্রায় ৫০০ জন পর্যটককে পাহাড় থেকে সমতলে নামি আনা হয়েছে। যেসব পর্যটক এখনো আটকে আছেন, তাদের কাছ থেকে হোটেল কর্তৃপক্ষকে টাকা নিতে নিষেধ করা হয়েছে। দরকার হলে সরকার টাকা দেবে। রাজ্য পুলিশের পক্ষ থেকে কমিউনিটি কিচেনের ব্যবস্থা করা হয়েছে, যাতে কোনো পর্যটক কোনো রকম অসুবিধায় না পড়েন।

মমতা ব্যানার্জী জানিয়েছেন, প্রথমে তিনি যাবেন হাসিমারায়। সেখান থেকে নাগরাকাটার দিকে যাবেন। এই সফরে তার সঙ্গে রয়েছেন রাজ্যের মুখ্যসচিব মানজপন্থ। এবং আগামীকাল (৭ অক্টোবর) তিনি মিরিকে যাবেন।

আরো সংবাদ

© All rights reserved © 2020 Lightnewsbd

Developer Design Host BD