মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৩৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ আদালত থেকে বেরিয়ে তিশা বললেন, ‘দরকার হলে আরও পাঁচবার আসব’ জমির ভাগ পেতে হামলার দায়িত্ব নেন শাহরিয়া জ্বালানির দাম বাড়িয়ে কীভাবে সংকটের অবসান হলো, বিপিসির কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছে কমিটি একযোগে ৬৮ এসিল্যান্ডকে প্রত্যাহার লিভার প্রতিস্থাপনে বাংলাদেশি চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণের প্রস্তাব পাকিস্তানের একনেকে ১৫ হাজার ৮২৩ কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন বাংলাদেশের ওষুধে ১০০ শতাংশ শুল্ক ছাড়ের ঘোষণা ট্রাম্পের দুদকের বিরুদ্ধে আসিফ মাহমুদের রিট হাইকোর্টের কার্যতালিকা থেকে বাদ দেশে এখন নৈরাজ্য নেই, অন্তর্বর্তী সময়ের চেয়ে অবস্থা ভালো: তথ্য উপদেষ্টা

যুদ্ধবিমান নিয়ে বাংলাদেশ-পাকিস্তান আলোচনা, প্রতিক্রিয়ায় যা বলল ভারত

লাইটনিউজ রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১০ জানুয়ারী, ২০২৬

জেএফ-১৭ থান্ডার যুদ্ধবিমান সম্ভাব্য ক্রয় নিয়ে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে চলমান আলোচনাকে নিজেদের জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বলে মনে করে নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে ভারত।

বৃহস্পতিবার (৯ জানুয়ারি) সাপ্তাহিক সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল।

বাংলাদেশ বিমানবাহিনী প্রধান হাসান মাহমুদ খানের সাম্প্রতিক ইসলামাবাদ সফর এবং সেখানে যুদ্ধবিমান সংক্রান্ত আলোচনার বিষয়ে করা এক প্রশ্নের জবাবে রণধীর জয়সওয়াল বলেন, ‘জাতীয় নিরাপত্তার ওপর প্রভাব ফেলে এমন সব পরিস্থিতির ওপর আমরা গভীর নজর রাখছি।’

ঢাকা ও করাচির মধ্যে ২৯ জানুয়ারি থেকে সরাসরি ফ্লাইট পুনরায় চালুর সিদ্ধান্ত এবং ভারতীয় আকাশসীমা ব্যবহারের ক্ষেত্রে ঢাকাকে নয়াদিল্লির অনুমতি নিতে হবে কিনা—এ বিষয়ে আরেক প্রশ্নের জবাবে জয়সওয়াল বলেন, ‘এ ধরনের বিষয় বাংলাদেশ সঙ্গে বিদ্যমান এয়ার সার্ভিসেস চুক্তি অনুযায়ী নিষ্পত্তি করা হবে।’

বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার বিষয়ে ভারতের অবস্থান তুলে ধরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, বাংলাদেশে উগ্রবাদীদের দ্বারা সংখ্যালঘুদের বাড়িঘর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে বারবার হামলার একটি ‘উদ্বেগজনক ধারাবাহিকতা’ ভারত লক্ষ্য করছে। তিনি বলেন, “এ ধরনের সাম্প্রদায়িক ঘটনাগুলো দ্রুত ও কঠোরভাবে মোকাবিলা করা প্রয়োজন।”

জয়সওয়াল আরও বলেন, ভারত লক্ষ্য করেছে যে ‘এ ধরনের ঘটনাগুলোকে ব্যক্তিগত শত্রুতা, ব্যক্তিগত প্রতিশোধ, রাজনৈতিক মতপার্থক্য কিংবা অন্যান্য বাহ্যিক কারণে দায়ী করার একটি উদ্বেগজনক প্রবণতা রয়েছে।’

তার ভাষায়, ‘এ ধরনের অবহেলা কেবল উগ্রবাদী ও অপরাধীদের আরও সাহসী করে তোলে এবং সংখ্যালঘুদের মধ্যে ভয় ও নিরাপত্তাহীনতার অনুভূতি আরও গভীর করে।’

বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের জাতীয় নির্বাচনে প্রধান প্রধান রাজনৈতিক দলের অনুপস্থিতি এবং নির্বাচনের ‘অংশগ্রহণমূলক না হওয়া’ সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, ভারত বরাবরের মতোই অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচনের আহ্বান জানিয়ে আসছে।

জয়সওয়াল আরও বলেন, ‘ভারত অংশগ্রহণমূলক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচনের সমর্থন ও আহ্বান অব্যাহত রেখেছে, যাতে একটি বিশ্বাসযোগ্য জনমত বা ম্যান্ডেট প্রতিষ্ঠিত হয়।’

আরো সংবাদ

© All rights reserved © 2020 Lightnewsbd

Developer Design Host BD