মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৪৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ আদালত থেকে বেরিয়ে তিশা বললেন, ‘দরকার হলে আরও পাঁচবার আসব’ জমির ভাগ পেতে হামলার দায়িত্ব নেন শাহরিয়া জ্বালানির দাম বাড়িয়ে কীভাবে সংকটের অবসান হলো, বিপিসির কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছে কমিটি একযোগে ৬৮ এসিল্যান্ডকে প্রত্যাহার লিভার প্রতিস্থাপনে বাংলাদেশি চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণের প্রস্তাব পাকিস্তানের একনেকে ১৫ হাজার ৮২৩ কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন বাংলাদেশের ওষুধে ১০০ শতাংশ শুল্ক ছাড়ের ঘোষণা ট্রাম্পের দুদকের বিরুদ্ধে আসিফ মাহমুদের রিট হাইকোর্টের কার্যতালিকা থেকে বাদ দেশে এখন নৈরাজ্য নেই, অন্তর্বর্তী সময়ের চেয়ে অবস্থা ভালো: তথ্য উপদেষ্টা

‘প্রয়োজনে লাশ হয়ে যাব, দাবি আদায় ছাড়া ফিরবো না’

লাইটনিউজ রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

নবম পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন ছাড়া রাজপথ না ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার সামনে অবস্থান নেওয়া সরকারি কর্মচারীরা। তারা বলছেন, “সাদা কাপড় পরে এসেছি। প্রয়োজনে লাশ হয়ে যাব, তবু পে-স্কেল আদায় করেই ছাড়বো।”

বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তারা যমুনার সামনে এসে অবস্থান নেন।

নরসিংদী থেকে আসা সরকারি কর্মচারী হালিমা আক্তার বলেন, “গত ৯ বছর ধরে আমাদের বেতন একই জায়গায় আটকে আছে। টাইম স্কেল নেই, সিলেকশন গ্রেড নেই। অথচ বাজারে চাল, ডাল, তেলের দাম কোথায় গিয়ে ঠেকেছে? এই বেতনে সন্তান পড়াবো, না বাসা ভাড়া দেবো? কিছুই সম্ভব না। আমরা ভিক্ষা চাই না, আমাদের ন্যায্য পে-স্কেল চাই।”

তিনি আরও বলেন, “পে কমিশন গঠন করা হয়েছে, রিপোর্টও জমা দেওয়া হয়েছে। তাহলে প্রজ্ঞাপন আটকে রাখা হচ্ছে কেন? আজ যদি এখান থেকে খালি হাতে ফিরি, তাহলে সরকারি কর্মচারী হিসেবে আমাদের আর কোনো সম্মান থাকে না।”

মানিকগঞ্জ থেকে আসা সরকারি কর্মচারী রফিকুল ইসলাম বলেন, “বারবার আশ্বাস শুনে আমরা ক্লান্ত। আজ আর আশ্বাস নয়, লিখিত প্রজ্ঞাপন চাই। আমরা সাদা কাপড় পরে এসেছি মানে একটা বার্তা দিতে—প্রয়োজনে জীবন দেবো, কিন্তু পে-স্কেল ছাড়া ফিরবো না।”

তিনি অভিযোগ করে বলেন, “অন্তর্বর্তী সরকার বৈষম্য দূর করার কথা বলেছিল। অথচ সবচেয়ে বড় বৈষম্যের শিকার হচ্ছি আমরা, প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীরা। ৯ মাস ধরে শুধু সময় ক্ষেপণ করা হচ্ছে। এটা আমাদের সঙ্গে সরাসরি অবিচার।”

আন্দোলনকারীদের বক্তব্যে উঠে আসে দ্রব্যমূল্যের ভয়াবহ চাপের চিত্র। তারা জানান, নবম পে-স্কেল বাস্তবায়ন না হলে বর্তমান বেতন কাঠামোয় পরিবার চালানো কার্যত অসম্ভব। অনেকেই ঋণ করে সংসার চালাচ্ছেন, সন্তানের পড়াশোনা ব্যাহত হচ্ছে।

যমুনার সামনে অবস্থান থেকে আন্দোলনকারীরা স্পষ্ট ঘোষণা দেন—নির্বাচনের আগেই নবম পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারি করতে হবে। আজকের মধ্যে দাবি পূরণ না হলে কর্মসূচি আরও কঠোর করা হবে। যেখানেই বাধা দেওয়া হবে, সেখানেই প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তারা।

আরো সংবাদ

© All rights reserved © 2020 Lightnewsbd

Developer Design Host BD