শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ১১:৪২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
পানিতে নিজের ধান তলিয়ে যাওয়ার দৃশ্য দেখে জমিতেই কৃষকের মৃত্যু নতুন প্রজন্মের ওপর নির্ভর করছে আগামীর বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী পুরোদমে ভিসা কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে ঢাকা-দিল্লি হরমুজ প্রণালি নিয়ে বিশেষ বলয়ের ঘোষণা ইরানের বিদেশে নায়িকা মৌসুমীর ‘কন্ট্র্যাক্ট ম্যারেজ’ গণভোটের রায় অস্বীকার করে দেশকে সংকটে ঠেলে দিচ্ছে সরকার: গোলাম পরওয়ার ডিসি সম্মেলনে নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নের তাগিদ থাকবে: মন্ত্রিপরিষদ সচিব যুদ্ধের জন্য ‘পুরোপুরি প্রস্তুত’ ইরান, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলকে কড়া হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের অন্ধকার যুগ যেভাবে বিশ্ব রাজনীতিতে নতুন ধারার জন্ম দিচ্ছে আশা করি এমন কালো দিন আর আসবে না : আসিফ নজরুল

গুলশানের নিজ বাসভবনেই থাকবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

লাইটনিউজ রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ, ২০২৬

রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় না উঠে ঢাকার গুলশান অ্যাভিনিউয়ের ১৯৬ নম্বর বাসভবনেই থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ব্যক্তিগতভাবে নিজের গুলশানের বাসায় থাকতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। দেশে ফেরার পর থেকে তিনি সেখানেই অবস্থান করছেন এবং বাসাটি সে অনুযায়ী প্রস্তুত করা হয়েছে।

দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসন শেষে গত বছরের ২৫ ডিসেম্বর লন্ডন থেকে ঢাকায় ফিরে তিনি পরিবারসহ ওই বাসায় ওঠেন। পাশেই ‘ফিরোজা’ নামের বাড়িতে বসবাস করতেন তার মা, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।

ইতিহাস অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নিহত হওয়ার পর তার স্ত্রী খালেদা জিয়াকে গুলশানের এই বাড়িটি বরাদ্দ দেয় তৎকালীন রাষ্ট্রপতি বিচারপতি আবদুস সাত্তারের মন্ত্রিসভা। পরে গত বছর গণপূর্ত উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান ও রাজউক চেয়ারম্যান রিয়াজুল ইসলাম রিজু বাড়িটির মালিকানার দলিল হস্তান্তর করেন।

সংসদ নির্বাচনের পর গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় জানায়, রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনা সংস্কার শেষে সেটিকেই প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন হিসেবে ব্যবহার করা হবে। সে অনুযায়ী প্রস্তুতিও নেওয়া হয়েছিল। এর আগে সাবেক প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস প্রায় দেড় বছর সেখানে বসবাস করেন এবং অন্তর্বর্তী সরকারের সময় এটি সরকারি বাসভবন হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

তবে শেষ পর্যন্ত যমুনায় না ওঠার সিদ্ধান্ত নিলেও রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানগুলো সেখানেই অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন রুমন। ইতোমধ্যে যমুনায় কূটনীতিক ও আলেম-ওলামাদের সম্মানে দুটি ইফতার অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে। এছাড়া ঈদের দিন সকাল ১০টায় সেখানেই বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী।

উল্লেখ্য, অতীতে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা বিচারপতি হাবিবুর রহমান, লতিফুর রহমান এবং ফখরুদ্দীন আহমেদও দায়িত্ব পালনকালে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অবস্থান করেছিলেন।

আরো সংবাদ

© All rights reserved © 2020 Lightnewsbd

Developer Design Host BD