ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ হাজিয়া সোফিয়া নিয়ে মতামত পাল্টালো রাশিয়া। দেশটির প্রেসিডেন্ট কার্যালয় ক্রেমলিনের মুখপাত্র দেমিত্রি পেসকোভ বলেন, একে মসজিদে রূপান্তর করা তুরস্কের অভ্যন্তরীণ বিষয়। এই সিদ্ধান্তের ফলে স্থাপত্যটি নতুন করে পর্যটকদের আকর্ষণ করবে।
ইয়েনি সাফাকের বরাতে জানা যায়, হাজিয়া সোফিয়াকে মসজিদে রূপান্তরের তুর্কি সিদ্ধান্তের বেশ সমালোচনা হয়েছে। ইউরোপের বিভিন্ন দেশ, যুক্তরাষ্ট্র, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান, এমনকি রাশিয়াও এই পদক্ষেপের সমালোচনা করেছে।
কিছু দিন আগে ক্রেমলিন থেকে হাজিয়া সোফিয়াকে জাদুঘর রাখার আহ্বান জানানো হয়েছিল। কিন্তু সে অবস্থান থেকে সরে আসলো তারা। শুক্রবার রাশিয়ার স্থানীয় এক গণমাধ্যমে হাজিয়া সোফিয়াকে ঘিরে নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করেন পেসকোভ।
তিনি বলেন, হাজিয়া সোফিয়া কী হিসেবে ব্যবহৃত হবে তা সিদ্ধান্ত নেবে তুরস্ক। এটি তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়। তবে এই স্থাপত্যকে ঘিরে সমালোচনার কারণে লাভ হয়েছে পর্যটকদের। যারা এর ইতিহাস সম্পর্কে জানতো না তারাও এখন অনেক কিছু জানে। অনেকেই উদগ্রীব হয়ে আছে সেখানে যেতে।
তিনি আরো বলেন, তুরস্কের সঙ্গে আমাদের আলোচনা হয়েছে। তারা আমাদের সব বুঝিয়ে বলেছে যে, এই স্থাপত্যের সব অক্ষুণ্ন রাখা হবে। সবাইকে সেখানে ঘোরার অনুমতি দেয়া হবে। কাউকে বাধা দেয়া হবে না। এতে ভালোই হয়েছে। কারণ জাদুঘরের দামি টিকেট কেটে সেখানে আর কাউকে প্রবেশ করতে হচ্ছে না।
ক্রেমলিন মুখপাত্র বলেন, এখন সেখানে প্রবেশ করতে কারো টাকা খরচ করে টিকেট কাটতে হবে না। আপনি একজন পর্যটক হিসেবে চিন্তা করুন, এটি অবশ্যই লাভজনক কিছু।
তিনি বলেন, আমার বিশ্বাস, হাজিয়া সোফিয়াকে ঘিরে তুর্কি-রাশিয়ান সম্পর্কের কোনো পরিবর্তন হবে না। দুই দেশ অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে বিশ্বের কল্যাণে কাজ করে যাবে।