বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
হাসিনাসহ ৩০ আসামিকে আত্মসমর্পণে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির নির্দেশ ঢাকেশ্বরী মন্দিরের জমি দখল করেছিল আওয়ামী লীগ ভেনেজুয়েলার ‘তেল চুরি’ করছে না যুক্তরাষ্ট্র: মার্কিন জ্বালানিমন্ত্রী নিলামে বিক্রীত সম্পত্তির ওপর ভ্যাট অবৈধ: হাইকোর্ট দেশকে অস্থিতিশীল করতে গুজব ছড়ানো হচ্ছে, সতর্ক থাকুন: প্রধানমন্ত্রী জামালপুর-ঢাকা রুটে বাস চলাচল বন্ধ, টার্মিনাল থেকে ফিরছেন যাত্রীরা হরমুজের নাম বদলে ‘ট্রাম্প প্রণালি’ করতে চান ট্রাম্প আসিফের জন্য ঢাকা–১০ আসন চেয়ে জামায়াত আমিরকে ফোন করেছিলেন ড. ইউনূস নেপালে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১২৫০, এখনো নিখোঁজ প্রায় ৫ হাজার সৌদির তেলবাহী জাহাজে ইরানের হামলা, নিহত ২

নেপালে বন্যার পর ভারতে ভেসে আসা মাছ না খাওয়ার পরামর্শ

লাইটনিউজ রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

নেপালে আকস্মিক বন্যার পর ভেসে আসা দূষিত পানি ও অজানা প্রজাতির মাছ খাওয়া থেকে বিরত থাকার জন্য সতর্কবার্তা জারি করেছে ভারতের বিহার রাজ্য সরকার। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) এনডিটিভিতে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়।

ত্রিশূলী নদীর পানি গণ্ডক ও কোশী নদী দিয়ে বিহারের উত্তরাঞ্চলে প্রবেশ করার পর ভেসে আসা অচেনা মাছ খেয়ে অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। বন্যার পানিতে ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, ময়লা-আবর্জনা ও পচা মৃতদেহের জীবাণু মিশে থাকায় বিহারের পশুপালন ও মৎস্য সম্পদ বিভাগ এবং নেপাল পুলিশ যৌথভাবে এসব মাছ কেনাবেচা ও খাওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে।

বিভাগটি সাধারণ মানুষকে পরামর্শ দিয়েছে যেন অচেনা বা অস্বাভাবিক চেহারার মাছ খাওয়া থেকে বিরত থাকা হয় এবং কোনো সন্দেহজনক মাছ দেখলে স্থানীয় মৎস্য কর্মকর্তা বা প্রশাসনকে জানানো হয়। এসব মাছ খেয়ে বমি, ডায়রিয়া, পেট ব্যথা, মাথা ঘোরা বা শ্বাসকষ্টের উপসর্গ দেখা দিলে অবিলম্বে নিকটস্থ স্বাস্থ্য কেন্দ্রে যোগাযোগের আহ্বান জানানো হয়েছে। গুজবে কান না দিয়ে সরকারি নির্দেশনা মেনে চলার অনুরোধ করা হয়েছে।

হিমালয় অঞ্চল থেকে নেমে আসা বানের জলের সঙ্গে পলল, কাদা, পাথর, বড় গাছের গুঁড়ির পাশাপাশি ধসে যাওয়া সেতু ও জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের ধ্বংসাবশেষ, গাড়ি, গৃহস্থালি সামগ্রী এবং এলপিজি সিলিন্ডার ভেসে আসছে। এছাড়া মানবদেহের অবশিষ্টাংশ ও মৃত পশুর কারণে পানির দূষণ চরম আকার ধারণ করেছে।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে জানিয়েছেন, নলকূপ ও কুয়ার সঙ্গে বানের দূষিত জল মিশে গিয়ে ডায়রিয়া, কলেরা, টাইফয়েড এবং হেপাটাইটিস এ ও ই-এর মতো রোগের প্রাদুর্ভাব ঘটতে পারে। এছাড়া জমা জলে মশার বংশবৃদ্ধির কারণে ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়া, চিকুনগুনিয়া এবং চর্মরোগের ঝুঁকি বাড়ছে।

পশ্চিম চম্পারণ, পূর্ব চম্পারণ, সীতামঢ়ী, কিষাণগঞ্জ, পূর্ণিয়া ও আরারিয়া জেলাগুলোতে ভূগর্ভস্থ জলে আর্সেনিক এবং আয়রনের মাত্রা এমনিতেই নির্ধারিত সীমার চেয়ে বেশি ছিল। বর্তমান বন্যায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে এবং কৃষিজমি প্লাবিত হওয়ায় শস্য ও শাকসবজির ঘাটতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

চিকিৎসক ড. পিভি সিং জানান, পানিবাহিত এই রোগগুলো মানুষের জীবনের জন্য মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করছে, তাই দুর্গতদের দ্রুত নিরাপদ স্থানে স্থানান্তর করা প্রয়োজন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত নদী তীরবর্তী বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে প্রশাসন।

সূত্র: এনডিটিভি

আরো সংবাদ

© All rights reserved © 2020 Lightnewsbd

Developer Design Host BD