ইরানজুড়ে দফায় দফায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এসব হামলায় অন্তত ১১ জন নিহত হয়েছেন। এরমধ্যে খুজেস্তানে সাতজন এবং সিরিক শহরে নিহত হয়েছেন চারজন।
খুজেস্তান প্রদেশটির নিরাপত্তা বিষয়ক উপ-গভর্নর জানিয়েছেন, সেখানে তিনটি স্থানে মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় সাতজন নিহত হয়েছেন। এতে আহত হয়েছেন আরো আটজন।
এছাড়া, ইরানের দক্ষিণাঞ্চলে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে মার্কিন হামলায় চারজন নিহত ও ৫০ জনের বেশি আহত হয়েছেন। নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে একটি শিশুও রয়েছে বলে জানিয়েছে ইরানের রেড ক্রিসেন্ট।
যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) দাবি করেছে, হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) হামলার চেষ্টার জবাবেই এই অভিযান চালানো হয়।
ইরানের আইআরজিসি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রকে এ হামলার জন্য ‘অনুতপ্ত’ হতে হবে। একই সময়ে কুয়েত ও বাহরাইনে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার খবর পাওয়া গেছে। দৈনিকখবরের ডিজিটাল সাবস্ক্রিপশন নেওয়া
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগেই সতর্ক করে বলেছিলেন, ইরান পাল্টা হামলা চালালে আরও ‘কঠোর ও উচ্চমাত্রার’ হামলার মুখোমুখি হবে।
চলমান সংঘাতের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে ব্যাপক হামলা চালানোর পর থেকেই মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বেড়েছে। ইরান পাল্টা ইসরায়েল, মার্কিন ঘাঁটি ও উপসাগরীয় মিত্রদের লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে এবং হরমুজ প্রণালিতে নৌ চলাচল কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে।
জুনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি বাড়াতে একটি সমঝোতা হলেও তা মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ায় নতুন করে সংঘাত শুরু হয়েছে। তবে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র চুক্তিতে ফেরার প্রতিশ্রুতি দিলে তেহরানও একই পথে এগোতে প্রস্তুত।
সূত্র: বিবিসি/আল জাজিরা