বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:১৯ অপরাহ্ন

গাজায় পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থায় ‘নজিরবিহীন’ সংকট

লাইটনিউজ রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

গাজায় পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা নজিরবিহীন সংকটের মুখে পড়েছে। প্রতিদিন প্রায় ৫৫ হাজার ঘনমিটার অপরিশোধিত বর্জ্যপানি পরিবেশে ছড়িয়ে পড়ছে বলে জানিয়েছে ফিলিস্তিনি পানি কর্তৃপক্ষ। জাতীয় সম্প্রচারমাধ্যম প্যালেস্টাইন টিভির বরাতে আল জাজিরার প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবারের (৩ সেপ্টেম্বর) প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রতিদিন প্রায় ৪০ হাজার ঘনমিটার অপরিশোধিত বর্জ্যপানি সরাসরি সাগরে গিয়ে পড়ছে। আরও প্রায় ১৫ হাজার ঘনমিটার শোষণ গর্ত ও ক্ষতিগ্রস্ত পয়ঃনিষ্কাশন নেটওয়ার্কের মাধ্যমে পরিবেশে ছড়িয়ে পড়ছে।

গাজার ৫টি প্রধান বর্জ্যপানি শোধনাগারের সবকটিই বর্তমানে বন্ধ রয়েছে। যুদ্ধের আগে থাকা প্রায় ৭৪টি পাম্পিং স্টেশনের মধ্যে মাত্র ১৮টি আংশিকভাবে হলেও চালু রয়েছে। এর ফলে পয়ঃনিষ্কাশন নেটওয়ার্কের আওতায় থাকা জনসংখ্যার হার ৮৫ শতাংশের বেশি থেকে কমে প্রায় ৪৫ শতাংশে নেমে এসেছে।

পানি শোধনের সক্ষমতাও ব্যাপকভাবে কমেছে। সংকটের আগে গাজার শোধনাগারগুলোর সম্মিলিত সক্ষমতা ছিল প্রতিদিন প্রায় ১ লাখ ৮৫ হাজার ঘনমিটার। বর্তমানে কার্যত তা শূন্যে নেমে এসেছে।

তবে শেখ ইজলিন শোধনাগার পুনর্বাসনের কাজ চলছে। আন্তর্জাতিক রেড ক্রস কমিটির সহায়তায় এর প্রাথমিক পর্যায়ে দৈনিক ২২ হাজার ঘনমিটার বর্জ্যপানি শোধনের সক্ষমতা ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা রয়েছে। পরবর্তী সময়ে সক্ষমতা বাড়িয়ে প্রায় ৬৫ হাজার ঘনমিটারে নেওয়া সম্ভব হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

সংকট মোকাবিলায় জরুরি ভিত্তিতে জ্বালানি, পানির পাম্প, জেনারেটর, যন্ত্রাংশ এবং ভারী সরঞ্জাম প্রয়োজন বলে জানিয়েছে ফিলিস্তিনি পানি কর্তৃপক্ষ।

কর্তৃপক্ষ সতর্ক করে বলেছে, এভাবে অপরিশোধিত বর্জ্যপানি অব্যাহতভাবে পরিবেশে ও সাগরে পড়তে থাকলে জনস্বাস্থ্য এবং সামুদ্রিক পরিবেশের ওপর গুরুতর প্রভাব পড়তে পারে।

সূত্র: আল জাজিরা

আরো সংবাদ

© All rights reserved © 2020 Lightnewsbd

Developer Design Host BD