সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০৪ পূর্বাহ্ন

পাথর ছুড়লেই সিসি ক্যামেরায় ধরা

লাইটনিউজ রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬

ট্রেন যাত্রীদের নিরাপত্তায় এবার সিসি ক্যামেরা বসানো হয়েছে সমুদ্র নগর কক্সবাজারে চলাচল করা পর্যটক এক্সপ্রেসে। গত ২৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা-কক্সবাজার পথে চলাচলকারী পর্যটক এক্সপ্রেস ট্রেনে এই ক্যামেরা স্থাপন করা হয়।

রেলওয়ে সংশ্লিষ্টরা জানান, পাথর ও ঢিল নিক্ষেপ প্রতিরোধে ট্রেনে বগির বাইরে প্রথমবারের মতো যুক্ত করা হয়েছে নাইটভিশন সিসি ক্যামেরা। সারা দেশেই ট্রেনের ভিতরে পাথর-ঢিল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। এতে রক্তাক্তভাবে আহত হচ্ছেন যাত্রীরা। পাথর নিক্ষেপকারীদের কোনোভাবে ঠেকানো যাচ্ছে না। তাই এবার সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে পাথর নিক্ষেপকারীদের চিহ্নিত করার জন্য পরীক্ষামূলকভাবে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এটি যদি সফল হয়, তাহলে পর্যায়ক্রমে অনান্য ট্রেনেও সিসি ক্যামেরাযুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। রেলওয়ের চট্টগ্রাম বিভাগীয় মহাব্যবস্থাপক মোস্তাফিজুর রহমান ভুঁইয়া বলেন, ঢাকা-কক্সবাজার পথে চলাচলকারী ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ অতিমাত্রায় বেড়ে যাওয়ার কারণে আমরা উদ্বিগ্ন। পাথর নিক্ষেপকারীদের চিহ্নিত করার জন্য মূলত প্রথবারের মতো পর্যটক এক্সপ্রেস ট্রেনে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। আমরা ক্যামেরার মাধ্যমে পাথর অপরাধীদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করব। তবে ক্যামেরা লাগানোর পর এখনো ওই ধরনের ঘটনা আর ঘটেনি। যদি ঘটে তখন আমরা পর্যালোচনা করতে পারব অপরাধীদের চিহ্নিত করা যাচ্ছে কি না বা যে উদ্দেশ্য নিয়ে লাগানো হয়েছে সেটা কার্যকর হচ্ছে কি না। তাই আপাতত পরীক্ষামূলকভাবে চলবে। যদি কার্যকর হয় তাহলে ভবিষ্যতে প্রয়োজন অনুযায়ী অনান্য ট্রেনগুলোতেও সিসি ক্যামেরা স্থাপন করার পরিকল্পনা আছে।

জানা গেছে, চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার কিংবা কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রাম রেলপথে চলন্ত ট্রেনে সবচেয়ে বেশি পাথর নিক্ষেপ করার ঘটনা ঘটে। বিশেষ করে চকরিয়া উপজেলা থেকে রামু উপজেলা পর্যন্ত অংশ বেশি বিপজ্জনক। পুরো এলাকাটির বিভিন্ন অংশে পাহাড়ের পাদদেশ কিংবা পাহাড়ের ভিতর দিয়ে গেছে রেলপথ। সবচেয়ে বেশি পাথর নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে রেলপথের এই অংশে। পাশাপাশি পটিয়া থেকে লোহাগাড়া সাতকানিয়া অংশেও নিয়মিত পাথর নিক্ষেপের ঘটনা ঘটছে। সড়কপথের চেয়ে ট্রেনযাত্রাকে নিরাপদ ও আরামদায়ক মনে করেন। কিন্তু নতুন এই রেলপথে বারবার পাথর ছোড়ার ঘটনায় যাত্রীদের নিরাপত্তা নিয়ে এখন বড় শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

 

আরো সংবাদ

© All rights reserved © 2020 Lightnewsbd

Developer Design Host BD