দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম চালের মোকাম কুষ্টিয়ার খাজাঁনগরে আবারও বেড়েছে চালের দাম। সপ্তাহের ব্যবধানে প্রকারভেদে কেজি প্রতি দাম বেড়েছে দুই থেকে তিন টাকা করে। যার প্রভাব পড়েছে ভোক্তা পর্যায়ে। অভিযোগ উঠেছে, পর্যাপ্ত মজুদ থাকা সত্বেও কারসাজি করে চালের দাম বাড়াচ্ছেন মিল মালিকরা। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে ধানের দাম বাড়াকেই দায়ী করছেন মিলাররা।
দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম চালের মোকাম কুষ্টিয়ার খাজাঁনগর। মূলত এখান থেকেই নিয়ন্ত্রিত হয় সারাদেশের চালের বাজার। গেলো পাঁচ মাসে এই মোকামে চালের দাম বেড়েছে অন্তত সাত বার। এতে চরম বিপাকে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষ।
সপ্তাহের ব্যবধানে দুই টাকা বেড়ে মিনিকেট ৫০ আর কাজললতা ৪৭ টাকায় কিনতে হচ্ছে। আর এ জন্য বাজার মনিটরিংয়ের অভাব ও মিলারদের কারসাজিকে দায়ী করছে ক্রেতারা। তবে মিলাররা বলছেন ভিন্ন কথা।
এক চাকুরীজীবী বলেন, আমরা যারা ছোট খাট চাকরি করি এই টাকায় সংসার চালানও খুবই কঠিন।
আরেক ক্রেতা বলেন, দাম বৃদ্ধির কথা জিজ্ঞেস করলে তারা একে অপরকে দোষ দেয়। কেউ বলে মিল থেকে দাম বাড়াচ্ছে, আর মিল মালিক বলছেন, যারা বাজারে বিক্রি করছে তারাই দাম বাড়াচ্ছে।
এক চাল ব্যবসায়ী বলেন, মিল মালিকরা বলছে ধানের দাম বেড়ে গেছে। এটাই মূল কারণ। মোটা চাল আগের থেকে তিন টাকা বেড়ে গেছে।
এক মিল মালিক বলেন, সারা বাংলাদেশে আমার মনে হয় যারা এই চাল কল ব্যবসার সাথে জড়িত তাদের মধ্যে ৭০ ভাগ মালিক দেউলিয়া হয়ে গেছেন। ধানের সাথে চালের সম্পর্ক না রাখার কারণে।
কুষ্টিয়া জেলা বাজার কর্মকর্তা মো. রবিউল ইসলাম বলেন, কেউ কারসাজি করে চালের দাম বৃদ্ধি করছে, এমন প্রমাণ পেলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
লাইটনিউজ