শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৪৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
৭ দশক পর আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের নেতৃত্বে পাকিস্তান মানবতার কল্যাণ সব ধর্মেরই অন্যতম মূল শিক্ষা: প্রধানমন্ত্রী দেশের ৩ বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের পর সাজেকে ফিরছেন পর্যটকেরা, স্বাভাবিক যান চলাচল উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা হবে, গুজবে কান না দেওয়ার আহ্বান পার্বত্যমন্ত্রীর দুর্নীতি প্রতিরোধে তরুণদের সোচ্চার হওয়ার আহ্বান ডেপুটি স্পিকারের জাতীয় প্রতিযোগিতার সেরা তরুণদের জাতিসংঘে পাঠাতে সহযোগিতা করবে সরকার: মাহ্‌দী আমিন চলতি বছর বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ: অর্থমন্ত্রী লিবিয়ার জিম্মিদশায় ১১৯ মাফিয়ার মানব পাচার নেটওয়ার্ক মোটরসাইকেলের সামনে নম্বরপ্লেট লাগানো নিয়ে সময়সীমা বেঁধে দিল বিআরটিএ

ধুনটে ৫ হাজার শিক্ষার্থী পাঠ্যবই বঞ্চিত

লাইটনিউজ রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২ জানুয়ারী, ২০২১

বছরের প্রথম দিন শুক্রবার দেশের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের হাতে বিনামূল্যে নতুন শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যপুস্তক তুলে দেওয়া হয়েছে। এ বছর করোনাভাইরাসের কারণে অন্য বছরের মতো বই উৎসব ছাড়াই স্বাস্থ্যবিধি মেনে শ্রেণিকক্ষেই এ বই বিতরণ কার্যক্রম হয়। তবে এখন পর্যন্ত নতুন বই পাওয়ার আনন্দ থেকে বঞ্চিত বগুড়ার ধুনট উপজেলার ৩৭টি স্বতন্ত্র এবতেদায়ি মাদরাসার প্রায় ৫ হাজার শিক্ষার্থী।

জানা গেছে, এ উপজেলায় ৩৭টি স্বতন্ত্র এবতেদায়ি মাদরাসা রয়েছে। এ সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রায় ৫ হাজার কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থী লেখাপড়া করে। প্রতি বছরই বছরের প্রথম দিন নতুন পাঠ্যপুস্তক পেয়েছে এসব শিক্ষার্থীরা। বছরের নতুন বই পেয়ে তারা উচ্ছ্বসিত হয়েছে। কিন্ত এবার নতুন বই পাওয়া থেকে এসব শিক্ষার্থীরা বঞ্চিত হয়েছে। ফলে এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের মনে আনন্দ উৎসব নেই।

পাঠ্যবই বঞ্চিত এসব বিদ্যাপীঠের শিক্ষার্থী-অভিভাবকরা ক্ষোভের সাথে জানান, করোনাকালে সরকারের নির্দেশনা মেনে উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী-অভিভাবকদের মাঝে বই তুলে দেওয়া হলেও স্বতন্ত্র এবতেদায়ি মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীরা নতূন বই থেকে বঞ্চিত হয়েছে। এ কারণে নতুন বইয়ের গন্ধ পাওয়া হয়নি শিক্ষার্থীদের। করোনার কারণে এখন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ। নিরাপত্তাজনিত কারণে আমরা প্রায় সবাই অবরুদ্ধ অবস্থায় আছি। নানা রকম উদ্বেগের মধ্যে একটি হলো সন্তানদের পড়াশোনা।

বিশেষ করে শিশু শিক্ষার্থীদের নিয়ে উদ্বেগটা একটু বেশি। দীর্ঘদিন গৃহে অবস্থান করায় কোমলমতি শিক্ষার্থীদের একঘেয়েমি পেয়ে বসেছে। কেননা এ বয়সী শিক্ষার্থীরা সাধারণত শিক্ষকদের প্রত্যক্ষ নির্দেশনা ও সহযোগিতায় পড়াশোনা করে থাকে। এ বছর একদিকে শিক্ষকদের নির্দেশনা পাচ্ছে না, অপরদিকে নতুন পাঠ্যপুস্তক থেকেও বঞ্চিত। একারণে শিশুরা লেখাপড়ায় উৎসাহ হারাচ্ছে।

উপজেলার কয়েকটি স্বতন্ত্র এবতেদায়ি মাদরাসার শিক্ষক জানান, বছরের শুরুতে নতুন পাঠ্যপুস্তক পাওয়ার প্রত্যাশা নিয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে চাহিদাপত্র জমা দিয়েছি। এছাড়া মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার সাথে দফায় দফায় যোগাযোগ করেও নতুন পাঠ্যপুস্তক মিলছে না। এ কারণে মাদরাসার শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের নানা প্রশ্নের সন্মুখীন হতে হচ্ছে।

ধুনট উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শফিউল আলম জানান, করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতির কারণে এবার চাহিদা অনুযায়ী নতুন পাঠ্যবই পাওয়া যায়নি। তবে যেসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্রছাত্রীরা নতুন পাঠ্যবই পায়নি দ্রুত তাদের মধ্যে নতুন বই পৌঁছে দেওয়া হবে।

লাইটনিউজ/এসআই

আরো সংবাদ

© All rights reserved © 2020 Lightnewsbd

Developer Design Host BD