শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:১২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মুসলিম হওয়ায় থানায় নিয়ে নির্যাতন, দিল্লি পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ সামরিক কমান্ড কাঠামোতে কেন বড় পরিবর্তন আনল পাকিস্তান যাত্রাবাড়ী থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত এক্সপ্রেসওয়ের পরিকল্পনা সরকারের: অর্থমন্ত্রী অপশক্তির বিরুদ্ধে সনাতনীরা সরকারের পাশে থাকবে, আইনমন্ত্রীর আশা ধর্মের ভিত্তিতে বৈষম্য করা যাবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সবজিতে স্বস্তি মিললেও চিনি-ডিম-আটা-মুরগিতে নাভিশ্বাস চলতি মাসেই শুরু হচ্ছে হামের বিশেষ টিকা ক্যাম্পেইন পিঠ চুলকিয়েই চীনা যুবকের মাসিক আয় ১৮ লাখ টাকা হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের জন্মাষ্টমী উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতির শুভেচ্ছা বাণী নেপাল-তিব্বতে মৃত বেড়ে ১২৮৭, নিখোঁজ ৫০৮৩

সেনাবাহিনীর ‘সেনা বাজার’, বিনামূল্যে খাদ্যসামগ্রী পেল ১০০০ পরিবার

লাইটনিউজ রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২৩ মে, ২০২০

নিউজ ডেস্ক: পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে করোনাভাইরাসের কারণে কক্সবাজার কর্মহীন হয়ে পড়া অসহায় মানুষদের নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য সামগ্রী এবং কাঁচা বাজারের চাহিদা পূরণ করতে ২২ মে ‘সেনা বাজারের’ আয়োজন করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

সেনাবাহিনীর ১০ পদাতিক ডিভিশনের তত্ত্বাবধানে কক্সবাজার জেলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে এই বাজারের আয়োজন করা হয়।

সেনা বাজারে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করে ১০০০ পরিবারের মধ্যে বিনামূল্যে চাউল, আটা, তৈল, লবন, ডাল এবং বিভিন্ন ধরনের সবজিসহ বিভিন্ন নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য সামগ্রী সরবরাহ করা হয়। পাশাপাশি ২০০ জনকে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ঔষধ সামগ্রী প্রদান করা হয়।

দেশে বিরাজমান লকডাউন পরিস্থিতিতে এ অঞ্চলের প্রান্তিক ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকের নিকট থেকে সেনাসদস্যরা সরাসরি সবজি ক্রয় করে এই বাজারে নিয়ে আসেন। ফলে অসহায় মানুষদের পাশাপাশি কৃষকরাও তাদের সবজির ন্যায্য মূল্য পেয়ে উপকৃত হয়েছে। স্থানীয়দের মাঝে ঈদ উপহার হিসেবে বিবেচিত সেনাবাহিনীর এই কার্যক্রম যথেষ্ট প্রশংসা কুড়িয়েছে।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণের শুরু থেকেই প্রধানমন্ত্রীর সার্বিক দিক নির্দেশনায় ও সেনাবাহিনী প্রধানের নেতৃত্বে অসহায় এবং প্রান্তিক আয়ের মানুষদের জীবনযাত্রাকে সহজ করার জন্য রামু সেনানিবাসসহ দেশের অন্যান্য সকল সেনানিবাসের পক্ষ হতে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

উল্লেখ্য, কক্সবাজার জেলা ও চট্টগ্রাম জেলার ৪টি উপজেলায় গত ২৪ মার্চ থেকেই মাঠে রয়েছে ১০ পদাতিক ডিভিশনের সেনাসদস্যরা। তারা টহল কার্যক্রমসহ করোনার ভয়াবহতার ব্যাপারে মানুষকে সচেতন করার পাশাপাশি হ্যান্ড স্যানিটাইজার এবং মাস্ক বিতরণ করছেন। এছাড়া, নিজেদের রেশন বাঁচিয়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে চাল, ডাল, তেল, আলু, পেঁয়াজ ও সাবানসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় বিভিন্ন সামগ্রী কর্মহীন অসহায় পরিবারের মানুষগুলোর হাতে তুলে দিচ্ছেন।

বর্তমানে তারা ঘূর্ণিঝড় আম্ফান উপদ্রুত এলাকাগুলোতে ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট ও বাঁধ পুনঃনির্মাণে স্থানীয়দের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করছেন।

পাশাপাশি দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে জনসাধারণদেরকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সহায়তা প্রদানের জন্য এসকল এলাকায় সেনাবাহিনীর ১০টি মেডিক্যাল টিম গত বৃহস্পতিবার থেকে একযোগে কাজ করছে। সূত্র: আইএসপিআর

 

আরো সংবাদ

© All rights reserved © 2020 Lightnewsbd

Developer Design Host BD