‘এত নির্দোষ, নিরপরাধ ও নিষ্পাপ সরকার আমি দেখিনি’ এমন মন্তব্য করেছেন বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, ‘বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের কার্যক্রমে
৪০ বছরের ব্যাবসায়িক জীবনে রপ্তানি খাতে এমন সংকট কখনো দেখেননি বলে মন্তব্য করেছেন দেশের অন্যতম রপ্তানিকারক, হা-মীম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) এ কে আজাদ। তিনি বলেন, আমরা ব্যবসায়ীরা এই খাতকে
১ আগস্ট থেকে কার্যকর হতে যাওয়া যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ট্যারিফ নীতির আওতায় বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের ওপর প্রযোজ্য হতে পারে প্রায় ৫০ শতাংশ কার্যকর শুল্কহার (ইটিআর)। এ শুল্কহার নির্ধারিত হয়েছে বর্তমানে কার্যকর
বাণিজ্যিক অংশীদারিত্ব রক্ষায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দ্বিতীয় দফার আলোচনা অব্যাহত রেখেছে বাংলাদেশ। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষিত বাড়তি শুল্ক কার্যকর হওয়ার আগেই বিষয়টি সমঝোতার মাধ্যমে সমাধানের লক্ষ্যে আলোচনায় বসেছে দুই দেশ। বৃহস্পতিবার
ব্যাংকগুলোতে আমদানি খাতে ডলারের দাম গড়ে ৬০ পয়সা কমেছে। মঙ্গলবার বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো গড়ে প্রতি ডলার বিক্রি করেছে ১২২ টাকা ৪০ পয়সা করে। এর আগে ডলারের দাম বাজারে ছেড়ে দেওয়ার পর
দেশের অন্যতম বেসরকারি বিমানসংস্থা ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন আবারও ‘বেস্ট ডমেস্টিক এয়ারলাইন অব দ্যা ইয়ার’ অর্জন করেছে। ইন-ফ্লাইট সার্ভিস, এয়ারপোর্ট সার্ভিস, অন-টাইম পারফরমেন্স, বেস্ট ইমপ্রুভ্ড এয়ারলাইন্স ও দেশের আকাশ পথে যোগাযোগ বৃদ্ধিসহ
দীর্ঘ ১৭ বছর পর চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) থেকে বিদায় নিচ্ছে বর্তমানে সবচেয়ে আলোচিত প্রতিষ্ঠান সাইফ পাওয়ার টেক। এবার চট্টগ্রাম বন্দরের দায়িত্ব নেবে নৌবাহিনী। চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ায়
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, যেসব দেশ আগামী পাঁচদিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তিতে পৌঁছাতে পারবে না, তাদের ওপর ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করা হবে। শুক্রবার (৪ জুলাই)
বাংলাদেশ এবং শ্রীলংকার মধ্যে স্থায়ী ও বন্ধুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের স্বীকৃতি দিয়ে বিদ্যমান সুযোগগুলোকে পুরোপুরি কাজে লাগাতে কলম্বোর সঙ্গে অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদার করার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছে ঢাকা। বাংলাদেশে নিযুক্ত শ্রীলংকার
চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে ডলারের মান ১০ শতাংশের বেশি কমেছে। বিশ্লেষকদের মতে, এটি ১৯৭৩ সালের পর সবচেয়ে বড় পতন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান বাণিজ্য অংশীদারদের মুদ্রার বিপরীতে এই