সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৪৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বাদামি ডিম বনাম সাদা ডিম: কোনটি বেশি ভালো? মিষ্টির আসনে উপনির্বাচন ১২ নভেম্বর সাগরে একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল উত্তর কোরিয়া লাখ ছাড়াল ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা, মৃত্যু বেড়ে ৩০৭ ড. ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর দিতে হবে, পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ইইউ কমিশনার ম্যাগনাস ব্রুনারের সাক্ষাৎ সারা দেশে দুই দিন এলপি গ্যাস বিক্রি বন্ধের ঘোষণা পুরো ভারত হবে যন্তর মন্তর, বিক্ষোভস্থল বাতিলের পর হুঁশিয়ারি সিজেপির ধর্মের ভিত্তিতে নয়, নাগরিক হিসেবে সবার অধিকার নিশ্চিত করা আমার দায়িত্ব: প্রধানমন্ত্রী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রথম ধাপের ভোটগ্রহণ ২১ জানুয়ারি

করোনা ম্যানেজ করেই আমাদের চলতে হবে

লাইটনিউজ রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১ জুন, ২০২০

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের কারণে মানুষের জীবনযাত্রা পরিবর্তনের ওপর গুরুত্বারোপ করলেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম। তিনি বলেছেন, করোনাকে সমন্বিত ম্যানেজমেন্ট করতে হবে। অর্থাৎ আগে যেমন বিন্দাস ছিলাম, সব লোক এক সঙ্গে ভিড় করতাম। এক সঙ্গে মিটিং করতাম। এক সাথে কোনো জায়গায় যেতাম এটা সম্পূর্ণরূপে পরিবর্তন করতে হবে। আমাদের জীবনযাত্রা একটা শৃঙ্খলার মধ্যে আনতে হবে। এখন কেউ বাইরে গেলে অবশ্যই নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রেখে চলতে হবে। হাত ধোয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। করোনাকে ম্যানেজ করেই চলতে হবে।

রোববার (৩১ মে) ফেসবুক লাইভ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম।

মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, করোনার নমুনা পরীক্ষার জন্য এরই মধ্যে ডিএনসিসির ৭টি কমিউনিটি সেন্টার ডেডিকেটেড করে দিয়েছি। প্রত্যেক বুথ থেকে ৩০টি করে নমুনা সংগ্রহ করা হচ্ছে অর্থাৎ এই ৭টি কমিউনিটি সেন্টার থেকে প্রতিদিন ২১০টি নমুনা সংগ্রহ করা হচ্ছে। যদিও চাপ অনেক বেশি। কিন্তু শুধু নমুনা নিলে তো হবে না আমাদের পিসিআর ল্যাব থাকতে হবে। তাই সেটাও করা যায় কিনা চিন্তা ভাবনা করছি।

করোনা ম্যানেজমেন্টের জন্য সিটি করপোরেশনের মার্কেটগুলোকে নির্দিষ্ট দূরত্ব মেপে মার্ক করে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মার্কেটগুলোতে আরও কি কি ব্যবস্থা নেওয়া যায় পরিকল্পনা করছি। মার্কেটের সামনে হাত ধোয়ার জায়গা নিশ্চিত করার জন্য বলা হচ্ছে।

করোনা মোকাবিলায় ওয়ার্ড কাউন্সিলরদের দায়িত্ব ভাগ করে দেওয়া হবে বলেও জানান মেয়র। তিনি বলেন, সময় এসেছে কাউন্সিলরদের দায়িত্ব বন্টন করে দেওয়ার। অফিস খুলে দেওয়া হয়েছে মানুষ অফিসে যাবে, বাজারে যাবে এটা মাথায় রেখেই কাউন্সিলরদের দায়িত্ব ভাগ করে দিতে হবে।

করোনা টেস্টের পাশাপাশি নগরবাসীকে বিনামূল্যে ডেঙ্গু পরীক্ষার আহ্বান জানান মেয়র। তিনি বলেন, আমাদের ৫টি নগর মাতৃসদন ও ২২টি নগর স্বাস্থ্য কেন্দ্রে বিনামূল্যে ডেঙ্গু পরীক্ষা হচ্ছে। কারো বেশি জ্বর হলে ডেঙ্গু পরীক্ষা করে নিন। প্রতিদিনি সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত সেখানে ডেঙ্গু পরীক্ষা করা হচ্ছে।

মশার ওষুধ ছিটানোর কার্যক্রমে অ্যাপ:

এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে ডিএনসিসি একটি নতুন অ্যাপ চালু করতে যাচ্ছে। ওই অ্যাপের মাধ্যমে ৪০০-৪০০ গজের মধ্যে মশক নিধনকর্মী মশার ওষুধ ছিটাচ্ছে কি না তার জন্য ওই মহল্লার একজন গৃহিণীকে দায়িত্ব দেওয়া হবে। আমাদের মশক নিধনকর্মী ওষুধ ছিটালে ওই বাড়ির মালিক যদি অনুমতি দেয় তাহলেই কেবল তার হাজিরা খাতায় নাম উঠবে এবং বেতন পাবে। আমরা পুরো সিস্টেমটা কমিউনিটির ওপর ছেড়ে দিতে চাচ্ছি। তখন কমিউনিটিই ঠিক করবে কাজ করছে কি না। একটা জবাবদিহিতার মধ্যে আনতে চাচ্ছি।

মশা মারতে নতুন ওষুধ গ্যানুয়েল্স:

মশার ওষুধ ক্রয়ের সঙ্গে জড়িত সিন্ডিকেট ভেঙেছি। দুটি নতুন কোম্পানিকে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে তারা এক ধরনের ওষুধ আনবে যার না গ্যানুয়েল্স। এটি তিলের দানার মতো। ড্রেনে বা ফুলের টবে ছিটিয়ে দিলেই হবে। এটা যেন সর্বত্র পাওয়া যায় তার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। আগামী ২-৩ মাসের মধ্যে গ্যানুয়েল্স চলে আসবে।

জলাবদ্ধতা অগ্রাধিকার পাবে:

দায়িত্ব নেওয়ার পর একদিনও বসে নেই। জলাবদ্ধতাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছি। ঢাকা শহরে ২৬টি পয়েন্টে পানি জমে সেগুলো চিহ্নিত করেছি। যদি বলি এবারই সব কাজ হয়ে যাবে তাহলে মিথ্যা বলা হবে। আমি চেষ্টা করব নগরবাসীকে এই দুর্ভোগ থেকে যতটুক রক্ষা করা যায়। খাল জলশায় উদ্ধারে কোনো ভয় নেই মানুষকে সঙ্গে নিয়েই এগিয়ে যাব।

এলইডি বাতি:

করোনার কারণে আমাদের কাজ পিছিয়ে গেছে। মেয়র বলেন, এটা সেনাবাহিনীর মেশিনারি কেনার দায়িত্বে থাকা প্রতিষ্ঠানকে দেওয়া হয়েছে। আমরা প্রায় ৪২ হাজার ইউরোপিয়ান এলইডি বাতি আনছি। খুব শিগগিরই এসব বাতি চলে আসবে।

নতুন ওয়ার্ডের জন্য ট্যাক্স নির্ধারিত হবে:

করোনা পরিস্থিতির কারণে ডিএনসিসির রাজস্ব আহরণ বন্ধ রয়েছে বলে জানিয়ে মেয়র বলেন, বিগত মেয়াদে নতুন ওয়ার্ডের প্রত্যেকটির জন্য ২ কোটি করে বরাদ্দ করেছিলাম। দুঃখের বিষয় করোনার কারণে এপ্রিল-মে মাসে আমাদের একটি টাকাও রাজস্ব আহরণ হয়নি। ওইসব এলাকায় যে সকল বাণিজ্যিক ভবন বা অফিস রয়েছে সেগুলোর ট্যাক্স নির্ধারণ করতে হবে। আমাদের ১৮০ কোটি টাকা রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা ছিল সত্যি কথা বলতে আশানুরূপ রাজস্ব পাইনি।

লাইটনিউজ/এসআই

আরো সংবাদ

© All rights reserved © 2020 Lightnewsbd

Developer Design Host BD