শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১১:৫৪ পূর্বাহ্ন

ইরান যুদ্ধে ট্রাম্প ও সৌদি যুবরাজের ‘দুটি পথ আজ দুটি দিকে গেছে বেঁকে’

লাইটনিউজ রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২৬

অভিযানটির নাম ছিল ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’। তবে এ সামরিক অভিযান শুরুর আগে সৌদি আরবের সঙ্গে কোনো ধরনের পরামর্শ করেনি যুক্তরাষ্ট্র। এর জেরে ওয়াশিংটন ও সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের মধ্যে একের পর এক উত্তেজনাপূর্ণ ও জরুরি ফোনালাপ শুরু হয়।

মার্কিন কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, গত ৪ মে অভিযান শুরুর দিনই ক্ষুব্ধ প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সৌদি যুবরাজের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন। পরবর্তী দুই দিনেও তাঁদের মধ্যে একাধিকবার আলোচনা হয়।

এ সময় যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সও যুবরাজের সঙ্গে পৃথকভাবে কথা বলেন। একইভাবে যোগাযোগ করেন ট্রাম্পের মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও জামাতা জ্যারেড কুশনার। অন্যদিকে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও হোয়াইট হাউসের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা মার্কো রুবিও সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করেন।

তবে মার্কিন পরিকল্পনাটি নতুন করে বৃহত্তর যুদ্ধের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে—এমন আশঙ্কায় নিজের অবস্থান থেকে সরে আসেননি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। ফলে ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ শুরু হওয়ার ৪৮ ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যে অভিযানটি স্থগিত করতে বাধ্য হয় ট্রাম্প প্রশাসন।

ওয়াশিংটনভিত্তিক ‘আরব গালফ স্টেটস ইনস্টিটিউট’-এর গবেষক হুসেইন ইবিশ বলেন, ‘সৌদি আরব ট্রাম্প প্রশাসনের ওপর আস্থা হারিয়ে ফেলেছিল। তাদের আশঙ্কা ছিল, যুক্তরাষ্ট্রকে আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি দিলে ইরানের আরও ভয়াবহ প্রতিশোধের মুখে পড়তে হবে।’

সৌদি যুবরাজকে নিজেদের অবস্থানে আনতে হোয়াইট হাউসের এই সর্বাত্মক কূটনৈতিক প্রচেষ্টার তথ্য এর আগে প্রকাশ্যে আসেনি। পুরো ঘটনাই ইঙ্গিত দিচ্ছে, বিশেষ করে ইরান ও ইসরায়েল ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরবের মধ্যে কৌশলগত মতপার্থক্য ক্রমেই বাড়ছে। রিয়াদ এখন ওয়াশিংটনকে আগের তুলনায় কম নির্ভরযোগ্য এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে উপসাগরীয় আরব দেশগুলোর জন্য ঝুঁকিপূর্ণ অংশীদার হিসেবে দেখছে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার পর থেকে সৌদি আরব নিজস্ব স্বার্থ রক্ষায় আরও ভারসাম্যপূর্ণ কৌশল অনুসরণ করছে। শুরুতে তারা যুক্তরাষ্ট্রকে সামরিক ও কূটনৈতিক সমর্থন দিলেও, এর জেরে ইরানের হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়। পরবর্তী সময়ে সম্ভাব্য বড় ধরনের নিরাপত্তা ঝুঁকি বিবেচনায় নিয়ে রিয়াদ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে ট্রাম্প প্রশাসনের অবস্থানের বিরোধিতা করে এবং নিজস্ব কূটনৈতিক অবস্থান আরও জোরালোভাবে তুলে ধরে।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যখন ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে কূটনৈতিক তৎপরতা অব্যাহত রাখার চেষ্টা করছেন, তখন সৌদি আরব মার্কিন অগ্রাধিকারের বাইরে গিয়ে নিজস্ব পররাষ্ট্রনীতি আরও সক্রিয়ভাবে এগিয়ে নিচ্ছে। বিশেষ করে পাকিস্তান ও চীনের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করার উদ্যোগ নিয়েছে দেশটি।

উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে চীনের মধ্যস্থতায় দীর্ঘদিনের বৈরিতার অবসান ঘটিয়ে সৌদি আরব ও ইরান পুনরায় কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করে। সেই ধারাবাহিকতায় এ সপ্তাহেও সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী চীন সফর করেছেন।

ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক হওয়ার পর সৌদি কর্মকর্তারা এখন বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক ইস্যুতে সরাসরি ইরানি প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করছেন। এসব আলোচনার মধ্যে রয়েছে হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা এবং অঞ্চলজুড়ে তেহরানের সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর কার্যক্রম। সৌদি নেতৃত্বের মতে, এসব বিষয় পারমাণবিক ইস্যুর চেয়েও বড় নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ।

পুরো বছরজুড়েই যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান এই ভারসাম্যপূর্ণ কূটনৈতিক অবস্থান ধরে রাখার চেষ্টা করেছেন। মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কয়েকটি সূত্রের দাবি, যুদ্ধ শুরুর আগেই তিনি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে সম্ভাব্য ঝুঁকির বিষয়ে সতর্ক করেছিলেন। পরে অবশ্য তিনিই ট্রাম্পকে যুদ্ধ অব্যাহত রাখা এবং ইরান সরকারকে সম্পূর্ণভাবে দুর্বল করার আহ্বান জানিয়েছিলেন বলে অভিযোগ ওঠে, যদিও সৌদি আরব তা অস্বীকার করেছে। তবে হামলার পরও ইরানের সামরিক সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে অক্ষত থাকায় শেষ পর্যন্ত যুবরাজ স্থায়ী কূটনৈতিক সমাধানের পক্ষেই জোর দিতে শুরু করেন।

যুদ্ধের একপর্যায়ে সৌদি আরব সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) সঙ্গে সমন্বয় করে ইরানের বিরুদ্ধে একটি গোপন প্রতিশোধমূলক হামলা চালিয়েছিল। তবে বর্তমান ও সাবেক মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, পরিস্থিতিকে আরও সংঘাতমুখী করে তুলতে ইউএই নেতৃত্বের মতো আগ্রহী ছিলেন না সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। একই সময়ে কাতার ও ওমানের তুলনায় তাঁর অবস্থান ছিল বেশি কঠোর, যদিও এই দুই দেশ দীর্ঘদিন ধরেই যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কূটনৈতিক মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করে আসছে।

গত ১৪ জুন ঘোষিত অন্তর্বর্তী সমঝোতার পর ট্রাম্প প্রশাসন এখন ইরানের সঙ্গে একটি স্থায়ী শান্তিচুক্তির লক্ষ্যে কাজ করছে। এ প্রক্রিয়ায় সৌদি আরবসহ উপসাগরীয় দেশগুলো এমন একটি সমাধান চায়, যা ভবিষ্যতে ইরান, ইসরায়েল কিংবা যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন সংঘাত দেখা দিলেও তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।

তবে যুদ্ধ চলাকালে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বারবার অবস্থান পরিবর্তন রিয়াদের উদ্বেগ আরও বাড়িয়েছে। সৌদি নেতৃত্বের প্রশ্ন, ভবিষ্যতে কোনো বড় সংকট দেখা দিলে ওয়াশিংটন আদৌ তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে কি না।

বিশ্লেষকদের মতে, এই অবিশ্বাসের সূচনা ২০১৯ সালেই। সে বছর সৌদি আরবের তেল স্থাপনায় ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পরও ট্রাম্প প্রশাসন কোনো সামরিক প্রতিক্রিয়া দেখায়নি। সেই ঘটনার পর থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা প্রতিশ্রুতি নিয়ে রিয়াদের সংশয় তৈরি হয়।

ওয়াশিংটনের ‘আরব গালফ স্টেটস ইনস্টিটিউট’-এর গবেষক হুসেইন ইবিশ বলেন, ‘আমরা যুদ্ধ শুরু করি, তারপর একসময় বিরক্ত হয়ে সরে যাই। এটি অনেকটা চার্লি ব্রাউন ও লুসির ফুটবল খেলার মতো। শেষ পর্যন্ত মাঠে পড়ে থাকা চার্লি ব্রাউনের মতোই অসহায় অবস্থায় পড়ে সৌদি আরব।’

অবশ্য হোয়াইট হাউস এ মূল্যায়নের সঙ্গে একমত নয়। মুখপাত্র অ্যানা কেলি বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে সৌদি আরবের সম্পর্ক ‘চমৎকার’। তাঁর ভাষায়, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বিভিন্ন মতামত গুরুত্ব দিয়ে শোনেন এবং আঞ্চলিক অংশীদারদের পরামর্শ বিবেচনায় নেন। তবে শেষ পর্যন্ত তিনি যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় স্বার্থ ও নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে সিদ্ধান্ত নেন।’

সব মতপার্থক্যের পরও দুই দেশের সহযোগিতার কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র এখনো অটুট রয়েছে। এক মার্কিন কর্মকর্তার মতে, গত বছরের একটি সমঝোতার ধারাবাহিকতায় সৌদি আরবে বেসামরিক পারমাণবিক কর্মসূচি চালুর বিষয়ে দুই দেশ কয়েক মাস ধরে আলোচনা করছে। ট্রাম্প প্রশাসন শিগগিরই এ-সংক্রান্ত পরিকল্পনা কংগ্রেসে উপস্থাপন করতে পারে।

তবে এ পরিকল্পনা নিয়ে উদ্বেগও রয়েছে। কিছু মার্কিন আইনপ্রণেতা ও ইসরায়েলি কর্মকর্তার আশঙ্কা, ভবিষ্যতে সৌদি আরব এ কর্মসূচিকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির পথে ব্যবহার করতে পারে। একই সঙ্গে ওয়াশিংটন ও রিয়াদ এমন বিকল্প স্থলপথ নিয়েও আলোচনা করছে, যা হরমুজ প্রণালি এড়িয়ে সরাসরি যোগাযোগের সুযোগ তৈরি করবে। এ ছাড়া সৌদি আরব এখনো যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি অস্ত্রের অন্যতম বৃহৎ ক্রেতা।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের দুই মেয়াদেই তাঁর প্রথম বড় বিদেশ সফরের গন্তব্য ছিল সৌদি আরব। ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনারের সঙ্গে যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের ব্যক্তিগত সম্পর্কও অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। সরকারি দায়িত্বে না থাকলেও কুশনার নিয়মিত রিয়াদ সফর করেন। চার বছর আগে যুবরাজের নেতৃত্বাধীন একটি তহবিল থেকে তাঁর প্রতিষ্ঠানে ২ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগও আসে।

তবে ব্যক্তিগত সম্পর্কের উষ্ণতা রাজনৈতিক সম্পর্কের টানাপোড়েন দূর করতে পারেনি। গত মার্চে মিয়ামিতে সৌদি আয়োজিত এক বিনিয়োগ সম্মেলনে ট্রাম্প প্রকাশ্যেই যুবরাজকে কটাক্ষ করে বলেন, ‘তিনি কখনো ভাবেননি যে একসময় তাঁকে আমার কাছে এভাবে আসতে হবে।’

দুই দেশের দূরত্বের আরও একটি ইঙ্গিত মিলেছে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা মার্কো রুবিওর সাম্প্রতিক উপসাগরীয় সফরে। তিনি বাহরাইন, কুয়েত ও সংযুক্ত আরব আমিরাত সফর করলেও সৌদি আরবকে সফরসূচির বাইরে রাখেন।

তবে পরে বাহরাইনে উপসাগরীয় দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকে সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহানের সঙ্গে রুবিওর বৈঠক হয়। সেখানে রুবিও বলেন, ‘সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো আমাদের অংশীদারত্বকে কঠিন পরীক্ষার মুখে ফেলেছিল। তবে এই পরীক্ষায় আমরা সফল হয়েছি। সহযোগিতা, যোগাযোগ ও পারস্পরিক আস্থা আগের মতোই কার্যকর রয়েছে।’

যদিও যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতি আপাতত সৌদি আরবকে স্বস্তি দিয়েছে, তবু এর মাধ্যমে মূল সংকটগুলোর সমাধান হয়নি। চুক্তিটি কার্যত হরমুজ প্রণালিতে ইরানের প্রভাবকে স্বীকৃতি দিয়েছে। এর ফলে ভবিষ্যতে ইরান ও ওমান যৌথভাবে প্রণালিতে জাহাজ চলাচল ব্যবস্থাপনায় নতুন নীতি বা ফি আরোপের সুযোগ পেতে পারে।

সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইকেল র‍্যাটনি বলেন, ‘ইরান যেদিন হরমুজ প্রণালি বন্ধ করেছিল, সেদিন থেকেই উপসাগরীয় দেশগুলোর মানসিকতা বদলে গেছে। এখন তেহরানের হাতে এমন একটি কৌশলগত অস্ত্র রয়েছে, যার মাধ্যমে তারা প্রয়োজন হলে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক অর্থনীতিকে চাপে ফেলতে পারে।’

বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান সমঝোতায় ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি কিংবা আঞ্চলিক সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর প্রতি তাদের সমর্থনের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর কোনো সমাধান নেই। একই সঙ্গে ট্রাম্প প্রশাসন আদৌ নতুন একটি পারমাণবিক চুক্তিতে ইরানকে রাজি করাতে পারবে কি না, সেটিও অনিশ্চিত।

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ওবামা প্রশাসনের সময় স্বাক্ষরিত পারমাণবিক চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহার করে নেন। এরপরই ইরান ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের মাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে দেয়।

তবে প্রকাশ্যে সৌদি আরব ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে হওয়া সমঝোতাকে ইতিবাচক হিসেবেই তুলে ধরছে। গত ১৮ জুন ভিয়েনায় এক ফোরামে সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বলেন, ‘এই সমঝোতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা আশা করি, এটি শুধু বর্তমান সংঘাতের অবসানই ঘটাবে না, বরং দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত সমস্যাগুলোর সমাধানের পথও তৈরি করবে। এর মধ্যে ইরানের পারমাণবিক ইস্যু সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।’

তবে কূটনৈতিক বক্তব্যের আড়ালে রিয়াদ এখনো সতর্ক অবস্থানেই রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের পক্ষ থেকে ইরান পুনর্গঠনে অর্থায়নের আহ্বান জানানো হলেও সৌদি আরব এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো আর্থিক প্রতিশ্রুতি দেয়নি। বিশ্লেষকদের মতে, চূড়ান্ত ফলাফল না দেখা পর্যন্ত ‘অপেক্ষা করো, তারপর সিদ্ধান্ত নাও’—এই নীতিতেই এগোচ্ছে রিয়াদ।

সূত্র: নিউইয়র্ক টাইমস

আরো সংবাদ

© All rights reserved © 2020 Lightnewsbd

Developer Design Host BD