সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:০৭ অপরাহ্ন

উইঘুর মুসলিম নির্যাতনে চীনের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা

লাইটনিউজ রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২০

ডেস্ক রিপোর্ট : বাণিজ্য যুদ্ধ দিয়ে শুরু হয়ে করোনাভাইরাস ও হংকং ইস্যুতে সম্প্রতি তীব্র হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-চীন টানাপোড়েন। এসব নিয়ে চীনের বিরুদ্ধে বরাবরই শাস্তির হুমকি দিয়ে আসছিল যুক্তরাষ্ট্র। এবার সংখ্যালঘু উইঘুর মুসলিমদের ওপর নির্যাতন এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনে জড়িতদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এতে বেইজিং-ওয়াশিংটন সম্পর্ক আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। চীন উইঘুরদের ওপর নির্যাতনের অভিযোগ অস্বীকার করে থাকে। খবর বিবিসির।

চীনের জিনজিয়াংয়ে সংখ্যালঘু উইঘুর মুসলিম সম্প্রদায়ের ওপর নির্যাতনের জড়িত অভিযোগে নিষেধাজ্ঞার কবলে পড়েছেন দেশটির ক্ষমতাসীন দলের শক্তিশালী পলিটব্যুরোর এক সদস্যসহ চার কর্মকর্তা। তারা হলেন, জিনজিয়াং প্রদেশ কমিউনিস্ট পার্টির সেক্রেটারি চেন কুয়াংগু, অঞ্চলটির সাবেক পার্টি সেক্রেটারি ঝু হাইলুন, জিনজিয়াং পাবলিক সিকিউরিটি ব্যুরোর পরিচালক ও পার্টি সেক্রেটারি ওয়াং মিংশান এবং সাবেক পার্টি সেক্রেটারি হুয়ো লিউজুন।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে জানান, চেন, ঝু এবং ওয়াংয়ের ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। চীনের এসব কর্মকর্তা ও তাদের পরিবারের সদস্যদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হবে। এদের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র সংশ্লিষ্ট অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডেও নিষেধাজ্ঞা থাকবে।

নিষেধাজ্ঞাপ্রাপ্তদের মধ্যে সর্বোচ্চ পদাধিকারী চীনা পলিটব্যুরোর সদস্য চেনের বিরুদ্ধে উইঘুরসহ অন্যান্য জাতিগত সংখ্যালঘুদের ওপর নজরদারি, বন্দি করা, জোরপূর্বক দীক্ষাদানের মতো গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, জিনজিয়াং প্রদেশে ১০ লাখেরও বেশি মুসলিমকে ক্যাম্পে আটকে রেখে নির্যাতন চালাচ্ছে চীন। এ নিয়ে আগের সপ্তাহে চীনের ওপর নিষেধাজ্ঞা বিলের অনুমোদন দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদ। তারই ধারাবাহিকতায় নিষেধাজ্ঞা আনা হলো।

তবে বরাবরই উইঘুর মুসলিম নির্যাতনের অভিযোগ অস্বীকার করেছে বেইজিং। চার কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে এখনও কোনও মন্তব্য করেনি চীন সরকার।

লাইট নিউজ

আরো সংবাদ

© All rights reserved © 2020 Lightnewsbd

Developer Design Host BD