বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৫০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ঝুঁকিপূর্ণ ৮০ রিসোর্ট, ২০টি সংকটাপন্ন এলাকায় প্রচলিত ব্যাংকের ইসলামি শাখা-উইন্ডোতে আমানতের বড় লাফ ফ্রান্সের মতো ‘জ্বলবে’ যুক্তরাষ্ট্র, কেন বললেন ট্রাম্প? স্ত্রীকে আদালতে যেতে বাধ্য করলে ক্ষতিপূরণের আদেশ দিতে পারবে আদালত সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড পাওয়া ২ বাংলাদেশির বিষয়ে ‘গোপনীয়’ নথিতে ছিল না সাজার তথ্য আমাদের একমাত্র পরিচয় আমরা বাংলাদেশি: প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ১২ দেশ ভ্রমণে নাগরিকদের সতর্ক করল যুক্তরাষ্ট্র একদল সীমান্তের ওপার থেকে পয়সা দিচ্ছে, আরেক দল দেশে বিশৃঙ্খলা তৈরি করছে : প্রধানমন্ত্রী আসামে ১১০০ মুসলিম পরিবার উচ্ছেদ, গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো ১০ মসজিদ

খাবার নিয়ন্ত্রণ করবেন যেভাবে

লাইটনিউজ রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২০

লাইফস্টাইল ডেস্ক : করোনা মহামারীর এই সময়ে মানুষ ঘরের বাইরে প্রয়োজন ছাড়া খুব কমই বের হচ্ছেন।অধিকাংশ সময় ঘরের ভেতরেই থাকছেন। ঘরের ভেতর থাকার সময়ে বিভিন্ন ধরনের খাবার তৈরি করছেন। পেটে ক্ষুধা না লাগলেও বারবার খাচ্ছেন। এতে এক মাসের মধ্যেই মোটা হয়ে যাচ্ছেন। শরীর অতিরিক্ত মোটা হলে চলাচলে কষ্ট হয়ে পড়ে। এজন্য খাবার নিয়ন্ত্রণে রেখে নিজের শরীর ফিট রাখুন।

ওবেসিটি জার্নালে প্রকাশিত প্রবন্ধ থেকে জানা গিয়েছে খাবারের মোট ক্যালোরির ২৫ শতাংশ প্রোটিনে এলে অন্যসব খাবার খাওয়ার প্রবণতা প্রায় ৬০ শতাংশ কমে যায়। কাজেই দিনের প্রতিটি খাবারের সঙ্গে পর্যাপ্ত প্রোটিন যেন থাকে, এটি খেয়াল রাখতে হবে।

হরমোন বিশেষজ্ঞ সতীনাথ মুখোপাধ্যায়ের মতে, খুব খিদে পেলে ভাজা বা প্রসেসড ফুডের আসক্তি বেড়ে যায়। কাজেই ক্ষুধা চেপে রাখবেন না। অল্প খিদে পেলেই স্বাস্থ্যকর খাবার খেয়ে নেবেন কিছুটা। তা যেন সুগার–ফ্রি হয়। না হলে ক্যালোরি বেড়ে গিয়ে সমস্যা আসবে। শরীরে জলের ঘাটতি না হলে খাই খাই ভাব একটু কমই হয়। কাজেই দিনে কম করে আড়াই–তিন লিটার জল খান। অল্প করে, বারে বারে।

১. রাতে পর্যাপ্ত ঘুমানোর চেষ্টা করুন। কম ঘুম হলে ক্ষুধা বেশি লাগে। একান্তই যদি ঘুম কম হয় এবং ক্ষুধা বেশি লাগে তাহলে চিনি ছাড়া খাবার পরিমান মত খেতে পারেন। ২. মানসিক চাম কমালে দেখবেন ক্ষুধা কম লাগছে।মানসিক চাপ কমাতে না পারলে আশেপাশে বন্ধুদের সঙ্গে বিভিন্ন ধরনের গল্প করুন কিংবা আড্ডা দিয়ে সময় অতিবাহিত করুন।

পুষ্টিবিদ প্রিয়াঙ্কা মিশ্রের মত, বিপদ বাড়ে ঘরে হাই-ক্যালোরি খাবার মজুত করে রাখলে। তীব্র খিদের মুহূর্তে হাতের কাছে খাবার পেলে সামলানো যায় না। কাজেই ওরকম করবেন না। তার চেয়ে বরং কোন খাবারের বদলে কোনটা খেলে খাওয়ার ইচ্ছে কমে অথচ ক্ষতি হয় না, সেটা বুঝে সেই ধরনের খাবার রাখুন ঘরে।

কোনটার বদলে কোনটা

সতীনাথ জানান, কোন খাবারের বদলে কোনটা খাবেন তা জানা খুব জরুরি। যেমন ধরুন, চিনির বদলে সুগার সাবস্টিটিউট খেয়ে ভাবলেন হাই ক্যালোরির ধাক্কা সামলেছেন, আসলে হল ঠিক এর উল্টো। চিনির গ্লুকোজ মস্তিষ্কের উদ্দীপনা নিয়ে আসে বলেই মিষ্টি খেয়ে তৃপ্তি হয়। কিন্তু সুগার সাবস্টিটিউটে তো গ্লুকোজ নেই, ফলে তা খাওয়ার পরও অতৃপ্ত থেকে যাওয়ার সম্ভাবনা।
কোন খাবারের বদলে কী খেলে খাওয়ার ইচ্ছে কমে অথচ ক্ষতি হয় না তা বুঝতে হবে। ফাইল ছবি।

মিষ্টি খাওয়ার ইচ্ছে সারাদিন ধরে তাড়া করল। সেই তাড়নায় উল্টো-পাল্টা ক্যালোরি শরীরে ঢুকল অনেক। সে জন্যই যাঁরা চিনি ছাড়া চা–কফি খেতে পারেন না, তাঁদের আমরা সুগার সাবস্টিটিউটের বদলে অল্প করে চিনি দিয়ে খেতে বলি। খুব মোটা মানুষ বা ডায়াবেটিকদেরও। এতে দিনভর মিষ্টি খাওয়ার ইচ্ছে কম থাকে।

এমনভাবে চলতে হয় যাতে খাওয়ার ইচ্ছে মেটে, ক্ষতিও হয় না শরীরের। যেমন–

১. চিপ্সের বদলে খান স্বাস্থ্যকর কাজু, চিনেবাদাম বা আখরোট। তাতে মন না ভরলে অল্প করে পপকর্ন খেতে পারেন।

২. চকোলেট আসক্তি মাত্রা ছাড়ালে ম্যাগনেসিয়াম-সমৃদ্ধ অ্যামন্ড খেয়ে দেখুন। কাজ না হলে মিল্ক চকোলেটের বদলে খান ৭০ শতাংশ কোকাসমৃদ্ধ ডার্ক চকলেট। ক্যান্ডি বা পেস্ট্রির বদলে খান ফল। কিসমিস বা খেজুর খেলেও কাজ হবে।

সূত্র: আনন্দবাজার

আরো সংবাদ

© All rights reserved © 2020 Lightnewsbd

Developer Design Host BD