বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ০৮:৪৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
জর্ডানে প্রবাসীদের জন্য সাধারণ ক্ষমা, জরিমানা ছাড়া দেশে ফেরার সুযোগ ঢাকার সঙ্গে রেলপথে যুক্ত হচ্ছে মানিকগঞ্জ প্রবাসীদের পাসপোর্ট ফি কমানোর কথা ভাবছে সরকার ভারত-মিয়ানমার সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেবে বাংলাদেশ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যুদ্ধোত্তর ইরানে শাসনব্যবস্থা হবে আরও নারী ও পরিবার বান্ধব প্রবাসীদের আকামা নিয়ে জরুরি নির্দেশনা, না মানলেই শাস্তি দেশের ৭৫টি কারাগারে ধারণক্ষমতার ১.৭ গুণ বন্দি রয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইরানে আবারও বোমা হামলার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের সংসদে সরকারি ফ্ল্যাটে ওয়াশিং মেশিন ও মাইক্রোওভেন চাইলেন জামায়াত এমপি বাবা খুন ও ভাইয়ের নেই সন্ধান, বিশ্বকাপে তিনিই এখন ‘দেশের ভরসা’

গাছের মগডালে ৩ ঘণ্টা ঝুলে অনলাইনে ক্লাশ

লাইটনিউজ রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ২৪ মে, ২০২০

ডেস্ক রিপোর্ট : করোনাভাইরাসের কারণে সারা পৃথিবীতে বন্ধ স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়। ফলে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। ক্ষতি পুষিয়ে নিতে অনেক দেশের সরকার অনলাইন ক্লাশের আয়োজন করেছে। কিন্তু সবার পক্ষে তো আর ঘরে বসেই অনলাইন ক্লাশে অংশ নেয়া সম্ভব নয়।

তাই বেছে নিতে হচ্ছে বিকল্প উপায়। এদের একজন ভারতের বেঙ্গালুরুর বাসিন্দা শ্রীরাম হেজ। যার বাসায় ইন্টারনেট নেটওর্য়াক ঠিক মতো কাজ করে না। কিন্তু সে থেমে থাকার পাত্র নয়। ভালো সিগন্যাল পাওয়ার জন্য ওই যুবককে গাছের উপর উঠতে হয়। ক্লাশে অংশ নেয়ার জন্য মগডালে ঝুলে থাকতে হয় টানা তিন ঘণ্টা। আর ওই গাছে চড়ার জন্য রোজ এক কিলোমিটার হাঁটতে হয়।

শ্রীরাম হেজ ভালো নেটওয়ার্ক বা হাইস্পিড ইন্টারনেট পেতে বাড়ি থেকে এক কলোমিটার পথ হেঁটে, পাহাড়ের উপর একটা উঁচু গাছের মগডালে চড়ে বসেন। উঁচু ওই গাছের মগডালে ঝুলে ঝুলেই ৩ ঘণ্টা করে নিয়মিত অনলাইন ক্লাস করছেন তিনি। একহাতে শক্ত করে গাছের ডাল আঁকড়ে ধরে অন্য হাতে স্মার্টফোনে দিব্যি অনলাইন ক্লাস করছেন ওই যুবক!

জানা গিয়েছে, শ্রীরাম হেজ স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থী। এভাবেই ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিন অনলাইন ক্লাস করছেন।

শ্রীরাম জানিয়েছেন, গ্রামে শুধুমাত্র বিএসএনএল-এর নেটওয়ার্ক পাওয়া যায়। আর ইন্টারনেটের ভালো সিগন্যাল পাওয়ার জন্য তাকে ওই গাছের উপর উঠতে হয়। প্রতিদিন তিনটি করে ক্লাস করতে হয়। ক্লাস শুরু হয় সকাল থেকে বেলা ১০টা পর্যন্ত। ফের বেলা তিনটা থেকে আর একটা ক্লাস শুরু হয়।

দুপুরে রোদে গাছে উঠে ক্লাস করা খুবই কষ্টকর! তবুও কোনও উপায় নেই। দুপুরের গরম সহ্য করে না হয় ৩ ঘণ্টা ক্লাস করে নিচ্ছেন শ্রীরাম। কিন্তু বর্ষাকালে বৃষ্টি নামলে কীভাবে নিয়মিত অনলাইন ক্লাস করবেন, তা নিয়ে এখন থেকেই দুশ্চিন্তায় পড়েছেন ওই যুবক।

লাইট নিউজ

আরো সংবাদ

© All rights reserved © 2020 Lightnewsbd

Developer Design Host BD