সিলেট প্রতিনিধি : নাজনীনের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল নাজিম উদ্দিন পাশার। গত দুই বছর আগে তাদের ব্রেকাপ হয়। পর পরও নাজিম নাজনিনের পেছনে ঘুরতে থাকে। এক পর্যায়ে নাজিমকে গালি দেয় নাজনীন। এই গালির প্রতিশোধ নিতেই ক্ষুব্ধ হয়ে তাকে দা দিয়ে জবাই করে হত্যা করে নাজিম। সিলেটের বিয়ানীবাজারে স্কুলছাত্রী নাজনীন আক্তারকে হত্যার ঘটনায় আদালতে এমন জবানবন্দি দিয়েছেন গ্রেপ্তার নাজিম উদ্দিন পাশা।
গতকাল বুধবার সিলেটের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট লায়লা মেহের বানুর আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন তিনি। জবানবন্দি শেষে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর জন্য পুলিশকে নির্দেশ দেন।
এর আগে মঙ্গলবার (১৬ মার্চ) সকালে সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলার শেওলা ইউনিয়নের বালিঙ্গা গ্রামে নিজ বাড়িতে নাজনীন আক্তারকে দা দিয়ে জবাই করে হত্যা করে একই গ্রামের নাজিম উদ্দিন পাশা। এরপর তিনি পালিয়ে যান। ওই রাতেই নাজিমকে আটক করে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের বাবা শামসুল হক চৌধুরী নাজিমকে একমাত্র আসামি করে হত্যা মামলা করেন। পরে পুলিশ ওই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠায়।
বিয়ানীবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিল্লোল রায় বলেন, নিহত নাজনীনের সঙ্গে নাজিমের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। দুই বছর আগে তাদের ব্রেকআপ হয়। এরপর নাজনীনের পেছনে ঘুরতে থাকে নাজিম। এ কারণে তাকে গালি দেয় নাজনীন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে নাজনীনকে দা দিয়ে জবাই করে হত্যা করে নাজিম।
জবানবন্দি রেকর্ড শেষে নাজিম উদ্দিন পাশাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান ওসি।